কেকেআরের অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এবং লখনউয়ের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। — ফাইল চিত্র।
প্রিন্সের প্রথম বলেই কভার দিয়ে চার মেরে কেকেআরকে জিতিয়ে দিলেন রিঙ্কু। এই রাত তাঁরই। পাঁচটি ক্যাচ নিয়েছেন। ৮১ রান করেছেন। জয়ের রানও এল তাঁর ব্যাট থেকে।
বল করবেন প্রিন্স যাদব।
আবার একটি দুরন্ত ক্যাচ পাওয়েলের। মার্করামের লম্বা শট পাওয়েল তালুবন্দি করে ছুড়ে দেন রিঙ্কুর দিকে। রিঙ্কু সেই বল তালুবন্দি করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। ১ রানেই ২ উইকেট পড়ে গেল লখনউয়ের।
প্রথম বলেই নারাইন বোল্ড করে দিলেন পুরানকে।
পুরান এবং মার্করাম ব্যাট করতে নামলেন।
দু’টি খারাপ নো বল তো করেছেনই। কিছুতেই মন্থর গতিতে বল করলেন না। ফলে শেষ বলে ছয় খেতে হল। ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে।
কার্তিককেই বল করতে দেওয়া হল। তিনি চতুর্থ বলে হিম্মত সিংহকে ফিরিয়ে দিলেন।
লখনউ ১৪৮-৮।
তিনিই একমাত্র চালিয়ে খেলছিলেন। সেই বাদোনিও ফিরে গেলেন বরুণের বলে। কলকাতার বিরুদ্ধে হারের মুখে লখনউ।
কেকেআরের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে যাঁর ব্যাটিংয়ে লখনউ জিতেছিল, সেই মুকুল মাত্র ১ রানে আউট। ক্যাচ দিলেন রিঙ্কুর হাতে।
লখনউ ৯৩-৫।
বরুণের বলে কভারে খেলতে গিয়েছিলেন পুরান। ব্যাটের কানায় লেগে বল গেল শর্ট থার্ডম্যানে থাকা নারাইনের হাতে। ১২ বলে ৯ করলেন পুরান।
লখনউ ৮৯-৪।
পাওয়েলের পর এ বার রিঙ্কু। আরও একটি দুরন্ত ক্যাচ কলকাতার। মার্করামের শট বাউন্ডারির ধারে লুফেও ভারসাম্য রাখতে না পেরে উপরে ছু়ড়ে দিয়েছিলেন। মাঠের ভেতরে এসে সেই ক্যাচ ধরেন।
লখনউ ৬৫-২।
প্রথম ৬ ওভারে বেশি রান তুলতে পারল না লখনউও। মাত্র ৩৭ রান তুলেছে তারা। পন্থ ১৯ এবং মার্করাম ১৬ রানে ক্রিজে রয়েছেন।
বৈভব অরোরার প্রথম বলে বড় শট মারতে যান মিচেল মার্শ। বল অনেক উপরে ওঠে। শুরুতে ভুল দিকে দৌড়েছিলেন রভম্যান পাওয়েল। কিন্তু পরে পিছন দিকে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ ধরেন তিনি। ২ রানে আউট হন মার্শ। তবে ক্যাচ ধরতে গিয়ে চোট পান পাওয়েল। মাঠ ছেড়ে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।
শেষ ওভারে দিগ্বেশকে চারটি ছয় মারলেন রিঙ্কু। উঠল ২৬ রান। ৫১ বলে ৮৩ রানে অপরাজিত থাকলেন রিঙ্কু। লখনউয়ের সামনে লক্ষ্য ১৫৬ রান।
টানা দু’টি ম্যাচে অর্ধশতরান রিঙ্কুর। লখনউয়ের বিরুদ্ধে চাপের মুখে অর্ধশতরান করলেন তিনি।
ধীরগতিতে খেলছিলেন। চালাতে গিয়ে ফিরতে হল রমনদীপকে। ১১ বলে ৬ রান করে ফিরলেন তিনি।
ক্রিজে রিঙ্কু ১৭ এবং রমনদীপ ৪ রানে।
পাঁচ উইকেট নিলেন মহসিন। গ্রিনের পরের বলেই আউট অনুকূল। কেকেআরের ষষ্ঠ উইকেটের পতন।
যে বোলার ভাল বল করছেন, তাঁর বিরুদ্ধে এক বার জীবন পেয়েও শিক্ষা নিলেন না গ্রিন। পরের বলেই চালাতে গিয়ে আউট কেকেআরের ২৫ কোটির ক্রিকেটার। ২১ বলে ৩৪ করেছেন তিনি।
ক্রিজে গ্রিন ২৪ এবং রিঙ্কু ১১ রানে।