Narendra Modi Stadium

অহমদাবাদের মোদী স্টেডিয়ামের সঙ্গে পাল্লা দিতে কোমর বেঁধে নেমেছে মুম্বই! এক লাখ দর্শকাসনের স্টেডিয়াম তৈরির তোড়জোড়

অহমদাবাদে কয়েক বছর আগেই এক লক্ষ ৩০ হাজার দর্শকাসনের স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে। মুম্বইয়েও এক লাখি একটি স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। জমি দেখার প্রক্রিয়া চলছে পুরোদমে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:২৯
cricket

অহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম। — ফাইল চিত্র।

অহমদাবাদে কয়েক বছর আগেই এক লক্ষ ৩০ হাজার দর্শকাসনের স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে। সেই নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচই আয়োজন করা হচ্ছে। অহমদাবাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে কোমর বেঁধে নেমেছে মুম্বই। সেখানে একলাখি একটি স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। জমি দেখার প্রক্রিয়া চলছে পুরোদমে। গত বছর একলাখি স্টেডিয়ামের কথা প্রথম বার বলেছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস।

Advertisement

গত কয়েক সপ্তাহে মহারাষ্ট্রের শহর এবং নগরোন্নয়ন দফতরের প্রধান বিজয় সিংহের সঙ্গে একাধিক বার দেখা করেছেন মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি অজিঙ্ক নায়েক। তাঁর আশা, দ্রুত জমি পাওয়া যাবে।

নায়েক বলেছেন, “কয়েক মাস আগে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস এক লক্ষ দর্শকাসনের একটি স্টেডিয়ামের স্বপ্ন দেখার কথা জানিয়েছিলেন। এখানকার সমর্থকদের অত্যধিক উৎসাহ এবং আমাদের সংস্থার ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী এই পরিকল্পনা নিয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। নবি মুম্বইয়ে এই স্টেডিয়াম হতে চলেছে, যেখানে বিশ্বমানের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা থাকবে।”

দ্রুত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন নায়েক। এই প্রকল্প যাতে দ্রুত সম্পন্ন হয় সে ব্যাপারে কথা বলতে পারেন। এই মুহূর্তে মুম্বইয়ে ওয়াংখেড়ে এবং নবি মুম্বইয়ে ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়াম রয়েছে। ওয়াংখেড়েতে মাত্র ৩৩,১০৩টি দর্শকাসন রয়েছে। নবি মুম্বইয়ে হাজার দশেক বেশি। তবে সেই মাঠে ছেলেদের ক্রিকেট ম্যাচ দেওয়া হয় না। ফলে দীর্ঘ দিন ধরেই বড় একটি স্টেডিয়াম তৈরি করার কথা চলছে।

গত বছরের মে-তে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রোহিত শর্মার নামে স্ট্যান্ড উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ফডণবীস। সেখানেই জানিয়েছিলেন, মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার (এমসিএ) তরফে তাঁর কাছে স্টেডিয়াম গড়ার জন্য জমির অনুরোধ করা হয়েছে। সেই অনুরোধে সায় দিয়েছেন। স্টেডিয়ামের জন্য দ্রুত জমি দেওয়া হবে এমসিএ-কে। পাঁচ বছরের মধ্যে স্টেডিয়াম তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করছেন তিনি।

ফড়ণবীসের কথায়, “গত বছর কালে (প্রাক্তন এমসিএ সভাপতি অমল কালে) এবং অজিঙ্ক নায়েক (বর্তমান এমসিএ সভাপতি) আমার কাছে এসেছিলেন। জানিয়েছিলেন, এক লাখ দর্শকের একটি স্টেডিয়াম তৈরি করতে চান ওঁরা। আমি অজিঙ্ককে জানাতে চাই, যদি আপনারা প্রস্তাব নিয়ে আসেন তা হলে মহারাষ্ট্র সরকার জমি দেবে। সেখানে এমসিএ নিজের মতো করে বড় স্টেডিয়াম তৈরি করতে পারে। মহারাষ্ট্র এবং মুম্বইয়ে আবেগপ্রবণ ক্রিকেটপ্রেমীরা রয়েছেন। ক্রিকেটবিশ্বে মহারাষ্ট্রের অবদান কী, সেটা সবাই জানেন।”

Advertisement
আরও পড়ুন