সলমন আলি আঘা। —ফাইল চিত্র।
আরও এক বার আইসিসি প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তানকে। শ্রীলঙ্কাকে হারানোর পরেও সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। বিদায়ের পর খারাপ ফলের কারণ নিয়ে মুখ খুলেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘা। এক ক্রিকেটার বাদে বাকি সকলকে দায়ী করেছেন তিনি।
সলমনের মতে, ওপেনার সাহিবজ়াদা ফারহান ছাড়া বাকি সকলে ব্যর্থ হয়েছেন। চলতি বিশ্বকাপে জোড়া শতরান করেছেন তিনি। সর্বোচ্চ রান করা ক্রিকেটারদের তালিকায় শীর্ষে তিনি। কিন্তু ফারহানকে কেউ সাহায্য করতে পারেননি। সলমন বলেন, “গোটা প্রতিযোগিতা জুড়ে আমরা ভাল ব্যাট করতে পারিনি। যদি ফারহান আরও কিছুটা সাহায্য পেত, তা হলে ছবিটা অন্য রকম হত। গত কয়েক বছর ধরে আমাদের মিডল অর্ডার প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁঢ়িয়েছে। কিছুতেই উন্নতি হচ্ছে না।”
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একটা সময় ১৬ ওভারে বিনা উইকেটে ১৭৫ রান ছিল পাকিস্তানের। সেখান থেকে পরের ২৪ বলে ৮ উইকেট পড়ে তাদের। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১২ রান করে তারা। ৫ রানে ম্যাচ জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি পাকিস্তান।
সলমন জানিয়েছেন, আরও ভাল ভাবে ইনিংস শেষ করতে পারতেন তাঁরা। পাক অধিনায়কের কথায়, “আমরা যে ভাবে চেয়েছিলাম, সে ভাবে শেষ করতে পারিনি। ১৮ ওভার ভাল ব্যাট করেছি। শেষ দু’ওভাপ পারিনি। আরও কিছুটা রান হলে ভাল হত।” শ্রীলঙ্কা যেই ১৪৭ রান পার করে যায়, সেই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় হয়ে যায় পাকিস্তানের। তাদের রান আরও কিছুটা বেশি হলে সেই লক্ষ্যও বাড়ত। তবে সলমন বলেন, “১৬০ রান হলেও আটকানো কঠিন হত।”
শিশিরের কারণেই এই সমস্যা হয়েছে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন সলমন। তিনি বলেন, “পরে শিশির পড়েছে। আমরা জানতাম। কিন্তু প্রথমে ব্যাট করা ছাড়া উপায় ছিল না। টস জিতলেও আমাদের প্রথমে ব্যাট করতে হত। অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমাদের বোলিংও ভাল হয়নি। তারেকের দিন ছিল না। বাকিরাও খারাপ খেলেছে। বল ভাল করতে পারলে তা-ও জেতার সুযোগ থাকত। সেটা হয়নি।”
সলমনের কথা থেকে স্পষ্ট, তিনি ফারহান বাদে বাকি সকলকে এই খারাপ ফলের জন্য দায়ী করেছেন। তার মধ্যে নিজেকেও রেখেছেন। বিশ্বকাপে সলমনের অধিনায়কত্ব নিয়েও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। খারার ফলের একটি কারণ হিসাবে সেই অধিনায়কত্বকেও দায়ী করা হয়েছে। সেই বিষয়ে অবশ্য কিছু বলেননি পাক অধিনায়ক।