Fakhar Zaman

নির্বাসনের বিরুদ্ধে আবেদন ফখরের, পাক ক্রিকেটারের বল বিকৃত করার আরও এক ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

বল বিকৃত করার চেষ্টা করেছেন, এই অভিযোগে দু’ম্যাচ নির্বাসিত করা হয়েছে ফখর জ়মানকে। সেই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার। তাঁর দাবি, অনৈতিক ভাবে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৪২
cricket

ফখর জ়মান। ছবি: সমাজমাধ্যম।

বল বিকৃত করার চেষ্টা করেছেন, এই অভিযোগে দু’ম্যাচ নির্বাসিত করা হয়েছে ফখর জ়মানকে। সেই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার। তাঁর দাবি, অনৈতিক ভাবে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এতটাও গুরুতর অপরাধ তিনি করেননি। এর মধ্যেই ফখরের পুরনো একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে জামার তলায় বল লুকিয়ে কিছু একটা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

Advertisement

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের দাবি, পিএসএলের টেকনিক্যাল কমিটির কাছে আবেদন করে শাস্তি তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেছেন ফখর। সেই আবেদনের ভিত্তিতে কবে শুনানি হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে ৩ এপ্রিল মুলতান সুলতান্স এবং ৯ এপ্রিল ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ফখর খেলতে পারবেন কি না, তা-ও বোঝা যাচ্ছে না।

ফখরের পুরনো একটি ভিডিয়ো এর মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। সেটি ২০২৪ বিশ্বকাপে আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচের। শাহিন আফ্রিদিকে মোনাঙ্ক পটেল ছয় মারার পরেই মিড-অনে দাঁড়িয়ে থাকা ফখর বল নিয়ে নিজের জার্সির তলায় ঢুকিয়ে দেন। দুই হাতে বেশ কিছু ক্ষণ বলটি ও ভাবেই ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। তাঁর দুই আঙুলের নড়াচড়া দেখে এটুকু বোঝা যায়, বল উজ্জ্বল করার যে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তা তিনি করছেন না। আমেরিকাও অবাক হয়ে যায় ফখরের কাণ্ডে। ম্যাচটি জেতার পর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও, আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও অভিযোগ করেনি আমেরিকা। ফলে ফখরও শাস্তি পাননি।

পিএসএলের লাহৌর কলন্দর্স বনাম করাচি কিংস ম্যাচে বল বিকৃতির অভিযোগ ওঠে। জয়ের জন্য শেষ ওভারে করাচির দরকার ছিল ১৪ রান। সেই ওভার শুরুর আগে লাহৌরের অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ এবং জ়মান একসঙ্গে আলোচনা করছিলেন। তাঁদের কাছেই ছিল বল। বলটি নিয়ে তাঁরা একে অপরকে দিচ্ছিলেন। সকলেই হাতের তালুতে লুকিয়ে রাখছিলেন বল। বিষয়টি দেখে সন্দেহ হয় ম্যাচের অন্যতম আম্পায়ার ফয়জ়ল আফ্রিদির। তিনি বলটি চেয়ে নেন। অন্য আম্পায়ার শরফুদ্দৌলার সঙ্গে আলোচনা করেন। বল দেখে তাঁদের মনে হয়, সেটি বিকৃত করা হয়েছে। দুই আম্পায়ার বল পরিবর্তন করেন এবং করাচিকে ৫ রান দেন। এই ঘটনার রিপোর্ট ম্যাচ রেফারি মহানামাকে দেন দুই আম্পায়ার।

রিপোর্টের ভিত্তিতে ঘটনার ফুটেজ দেখে মহানামা শুনানিতে ডেকে পাঠান জ়মানকে। সেখানে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন পাক ব্যাটার। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তা-ও মহানামা তাঁকে পিএসএলের আচরণবিধির ২.১৪ ধারা অনুযায়ী ‘লেভেল থ্রি’ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেন। প্রথম শুনানিতে যদিও তিনি শাস্তি ঘোষণা করেননি। মঙ্গলবার দ্বিতীয় শুনানির পর জ়মানকে পিএসএলের দু’টি ম্যাচ নিলম্বিত করেছেন ম্যাচ রেফারি। ফলে লাহৌরের হয়ে পিএসএলের পরের দু’টি ম্যাচ খেলতে পারবেন না জ়মান।

Advertisement
আরও পড়ুন