R Ashwin-Usman Tariq Controversy

পাকিস্তানের লিগে বিতর্কে কিউয়ি ব্যাটারের পাশে অশ্বিন! রবিকে পাল্টা দিলেন পাক স্পিনার তারিক

উসমান তারিক বল করার আগেই স্টাম্প ছেড়ে সরে যান ড্যারিল মিচেল। বার বার এই কাজ করেন তিনি। মিচেলকে সমর্থন করেছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:০৩
cricket

উসমান তারিক (বাঁ দিকে) ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। —ফাইল চিত্র।

বল করার আগে উসমান তারিকের থেমে যাওয়া নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেই বিতর্ক পাকিস্তান সুপার লিগেও চলছে। তারিক বল করার আগেই স্টাম্প ছেড়ে সরে যান ড্যারিল মিচেল। বার বার এই কাজ করেন তিনি। মিচেলকে সমর্থন করেছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে। অশ্বিনকে এ বার পাল্টা দিয়েছেন তারিক।

Advertisement

বিশ্বকাপে তারিকের বল করার কায়দা দেখে অশ্বিনই প্রথম বলেছিলেন, ব্যাটারেরা চাইলে স্টাম্প ছেড়ে সরে যেতে পারেন। বিশ্বকাপে কাউকে সেটা করতে দেখা যায়নি। কিন্তু মিচেল অশ্বিনের কথা শুনেছেন। শনিবার পাকিস্তান সুপার লিগে রাওয়ালপিন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে খেলা ছিল কোয়েট্টা গ্ল্যাডিয়েটর্সের। রাওয়ালপিন্ডিজ়ের ইনিংসের নবম ওভারে ব্যাট করছিলেন মিচেল। বোলার ছিলেন তারিক। পাক স্পিনারকে বল ছাড়ার আগে থমকে যেতে দেখে বিরক্ত হন মিচেল। কয়েক বার এমন হওয়ার পর তারিক বল ছাড়ার ঠিক আগে, একাধিক বার স্টাম্প থেকে সরে যান কিউয়ি ব্যাটার। আম্পায়ারকে বলেন, এই ধরনের বল খেলতে তিনি রাজি নন। এতে তাঁর ব্যাটিংয়ের সময়ের সমস্যা হচ্ছে। সে সময় মিচেলকে বেশ হতাশ লাগছিল। এই ঘটনায় তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

মিচেলের এই কাজ সমর্থন করেছেন অশ্বিন। তিনি বলেন, “এ বার আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব তারিককে বোঝানো। যদি ওর থমকে যাওয়ার সময় নির্দিষ্ট না থাকে, তা হলে ব্যাটার ইচ্ছা করলেই স্টাম্প ছেড়ে সরে যেতে পারে। প্রতিপক্ষের উচিত এই বিষয় নিয়ে কথা বলা। সব কিছুর তো একটা নিয়ম আছে।”

সমাজমাধ্যমে অশ্বিনকে পাল্টা দিয়েছেন তারিক। তিনি লেখেন, “যদি কোনও ব্যাটার ইচ্ছা করে বার বার কোনও বোলারের মনঃসংযোগ নষ্ট করার চেষ্টা করেন বা সময় নষ্ট করেন, তা হলে সেটা ক্রিকেটের নিয়মের বিরুদ্ধে। সে ক্ষেত্রে আম্পায়ার ব্যাটারকে সতর্ক করতে পারেন। পরেও একই ঘটনা ঘটলে ফিল্ডিং দলকে পেনাল্টি হিসাবে ৫ রান দেওয়া যায়। এটাই ক্রিকেটের নিয়ম। শুনে ভাল লাগল। চালিয়ে যাও।”

তারিক বোঝাতে চেয়েছেন, তিনি নিয়ম ভেঙে কিছু করেননি। উল্টে মিচেল যা করেছেন, সেটাই নিয়মের বিরুদ্ধে। ফলে তিনি নয়, শাস্তি পেতে পারেন মিচেল। অশ্বিন মিচেলের কাজ সমর্থন করে আদতে তাঁরই ক্ষতি করছেন। এই মন্তব্যের পর অবশ্য অশ্বিন এখনও পর্যন্ত কোনও জবাব দেননি।

Advertisement
আরও পড়ুন