সতীর্থদের সঙ্গে শাহিন আফ্রিদি। ছবি: এক্স।
উইকেট না পেলেই কি বিকল্প পথ খোঁজেন শাহিন শাহ আফ্রিদি? সেই পথ হল বলের আকার বদলে ফেলা। বল বিকৃত করা। পাকিস্তান সুপার লিগে বল বিকৃত করেছিলেন। এ বার বাংলাদেশ টেস্টেও বল বিকৃত করলেন শাহিন। বার বার এক অপরাধ করছেন তিনি। এ বার কড়া শাস্তি পেতে পারেন পাকিস্তানের পেসার।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঢাকায় প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে উইকেট পাচ্ছিলেন না শাহিন। কয়েক ওভার বল করার পর দেখা যায়, বল বিকৃত করছেন শাহিন। ব্যাটারের একটি শট পা দিয়ে আটকান শাহিন। তার পর বলের উপর জুতো দিয়ে ঘষেন। জুতোর তলায় যে স্পাইক থাকে তার সাহায্যে বলের আকার বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তাতে অবশ্য সুবিধা হয়নি।
আম্পায়ারেরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তাঁরা বল দেখে তা বদলে ফেলেন। এই সিদ্ধান্ত থেকে স্পষ্ট বলের আকার বদলে গিয়েছিল। অর্থাৎ, বল বিকৃত করে ফেলেছিলেন শাহিন। পরবর্তীতে প্রথম ইনিংসে ৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২টি উইকেট নেন শাহিন।
পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মধ্যে বল বিকৃত করার প্রবণতা নতুন নয়। অতীতে ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনিস, শোয়েব আখতারদের এই কাজ করতে দেখা গিয়েছে। তখন ক্যামেরা বেশি না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই পার পেয়ে গিয়েছেন তাঁরা। এমনকি, প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি কামড়ে বলের আকার বদলানোর চেষ্টা করেছিলেন।
শাহিনও সেই একই অপরাধ করছেন। এক বার নয়, বার বার। আইসিসি এখন এই সব বিষয়ে খুব কড়া। টেস্ট শেষ হয়ে গেলে ম্যাচ রেফারি নিশ্চয়ই তাঁর রিপোর্টে শাহিনের এই অপরাধের কথা উল্লেখ করবেন। তার পরেই শাস্তি পেতে পারেন তিনি। নির্বাসিত করা হতে পারে পাকিস্তানের পেসারকে।