আইপিএল ট্রফি। —ফাইল চিত্র।
১০ দলের লড়াই কমে দাঁড়িয়েছে আট দলে। আইপিএলের প্লে-অফের লড়াই থেকে বিদায় নিয়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অর্থাৎ, এখন প্রথম চারে থাকার লড়াইয়ে আট দল। সেই আট দলের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। তবে পয়েন্ট তালিকায় সাত নম্বরে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্সেরও সুযোগ রয়েছে প্লে-অফে ওঠার।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন দলের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা কতটা। তার জন্য কার সামনে কী অঙ্ক রয়েছে।
(১৪ পয়েন্ট, ম্যাচ বাকি— কলকাতা নাইট রাইডার্স, পঞ্জাব কিংস, সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদ)
সবচেয়ে বেশি সুযোগ বেঙ্গালুরুর। তাদের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা ৯৪.৮২ শতাংশ। প্রথম দুই দলে শেষ করার সম্ভাবনা ৬৩.৪১ শতাংশ। বাকি তিন ম্যাচের মধ্যে একটি জিতলেই বিরাট কোহলিদের প্লে-অফ প্রায় নিশ্চিত। হায়দরাবাদ ম্যাচ হয়তো ঠিক করে দেবে, শীর্ষে কোন দল থাকবে।
(১৪ পয়েন্ট, ম্যাচ বাকি— গুজরাত টাইটান্স, চেন্নাই সুপার কিংস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু)
নেট রানরেটে কোহলিদের থেকে পিছিয়ে হায়দরাবাদ। ফলে বেঙ্গালুরুর মতোই আর একটি ম্যাচ জিতলেই প্লে-অফ প্রায় পাকা হয়ে যাবে প্যাট কামিন্সদের। দু’টি ম্যাচ জিততে পারলে শীর্ষ দুই দলের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হায়দরাবাদের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা ৯১.৭৪ শতাংশ। প্রথম দুই দলে শেষ করার সম্ভাবনা ৫৮.৬৬ শতাংশ। বেঙ্গালুরু ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ কামিন্সদের জন্য
(১৪ পয়েন্ট, বাকি ম্যাচ— সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদ, কলকাতা নাইট রাইডার্স, চেন্নাই সুপার কিংস)
নেট রানরেটে বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদের থেকে পিছিয়ে রয়েছে গুজরাত। ফলে প্লে-অফ নিশ্চিত করতে দু’টি ম্যাচ জিততে পারলে ভাল। শুভমন গিলদের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা ৮৭.৫৩ শতাংশ। প্রথম দুই দলের মধ্যে শেষ করার সম্ভাবনা ৫৪.১১ শতাংশ। তবে তার জন্য হায়দরাবাদ ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
(১৩ পয়েন্ট, ম্যাচ বাকি— দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, লখনউ সুপার জায়ান্টস)
এক ম্যাচ কম খেলায় সবচেয়ে সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছে পঞ্জাব। বাকি চার ম্যাচের মধ্যে দু’টি জিতলেই প্লে-অফ প্রায় পাকা করে ফেলবেন শ্রেয়স আয়ারেরা। তাঁদের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা ৮৪.৬৯ শতাংশ। প্রথম দুই স্থানে শেষ করার সম্ভাবনা ৪৯.৫২ শতাংশ। মুম্বই ও লখনউয়ের মতো প্লে-অফের দৌড় থেকে বাদ পড়া দলের বিরুদ্ধে খেলা রয়েছে পঞ্জাবের। তাতে সুবিধায় হবে শ্রেয়সদের।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
(১২ পয়েন্ট, ম্যাচ বাকি— লখনউ সুপার জায়ান্টস, সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদ, গুজরাত টাইটান্স)
প্লে-অফে উঠতে হলে তিনটির মধ্যে দু’টি ম্যাচ জিততেই হবে চেন্নাইকে। তাদের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা ৫৮.৪৭ শতাংশ। প্রথম দুইয়ে শেষ করার সম্ভাবনা ১৮.৭৬ শতাংশ। তার জন্য তিনটি ম্যাচই জিততে হবে রুতুরাজ গায়কোয়াড়দের। তার পর অন্য ম্যাচের দিকে তাকাতে হবে।
(১২ পয়েন্ট, ম্যাচ বাকি— দিল্লি ক্যাপিটালস, লখনউ সুপার জায়ান্টস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স)
চেন্নাইয়ের মতোই রাজস্থানকে প্লে-অফে উঠতে হলে বাকি তিন ম্যাচের মধ্যে অন্তত দু’টি জিততেই হবে। তাদের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা ৫৪.৩৩ শতাংশ। প্রথম দুইয়ে শেষ করার সম্ভাবনা ১৪.৯১ শতাংশ। তবে দুই ম্যাচ জিতলেও নেট রানরেটে প্লে-অফ হাতছাড়া হতে পারে রাজস্থানের। ফলে প্রতিটি ম্যাচই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
(৯ পয়েন্ট, ম্যাচ বাকি— রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, গুজরাত টাইটান্স, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, দিল্লি ক্যাপিটালস)
কেকেআরের সামনে একটাই অঙ্ক। বাকি চারটি ম্যাচই তাদের জিততে হবে। কারণ, চার ম্যাচ জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ১৭। একাধিক দল ১৬ পয়েন্টে শেষ করতে পারে। সে ক্ষেত্রে কেকেআরের সুবিধা হবে। তাদের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা ১৯.৮৪ শতাংশ। প্রথম দুই দলের মধ্যে শেষ করার সম্ভাবনা ১.৬৩ শতাংশ। তবে একটি ম্যাচ হারলেই কেকেআরের এ বারের মরসুম প্রায় শেষ হয়ে যেতে পারে।
(৮ পয়েন্ট, ম্যাচ বাকি— পঞ্জাব কিংস, রাজস্থান রয়্যালস, কলকাতা নাইট রাইডার্স)
খাতায়-কলমে সুযোগ থাকলেও দিল্লির এ বারের মরসুম প্রায় শেষ। বাকি তিনটি ম্যাচ জিতলেও ১৪ পয়েন্টের বেশি হবে না তাদের। ফলে সেই পয়েন্ট পেয়ে প্লে-অফে ওঠা কার্যত অসম্ভব। আর একটি ম্যাচ হারলে প্লে-অফের দৌড় থেকে বিদায় নেবে দিল্লি।
প্লে-অফের দৌড় থেকে বাদ পড়ে গিয়েছে।