পাটীদারের খেলার একটি মুহূর্ত। ছবি: পিটিআই।
চলতি মরসুমে টানা তিনটি ম্যাচ জিতে রাজস্থানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল বেঙ্গালুরু। প্রথম বার তারা ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হল। রজত পাটীদার এবং কিছুটা বিরাট কোহলি ছাড়া আর কোনও ব্যাটার ভাল খেলতে পারলেন না। তবু শেষের দিকে পাটীদারের ব্যাটিংয়ে ২০০-র কাছাকাছি রান তুলে ফেলল তারা। বেঙ্গালুরু তুলেছে ২০১/৮ রান। যে ভাবে ব্যাটিং বিপর্যয় হয়েছিল তার পরেও যে তারা ২০০ পেরোবে তা কেউ ভাবতে পারেননি।
দিনটা কেমন যেতে পারে, তা বোঝা গিয়েছিল প্রথম বলেই। জফ্রা আর্চারের সামান্য উঁচু হয়ে আসা বল কোনও মতে ব্যাট দিয়ে ঠেকিয়েছিলেন ফিল সল্ট। ব্যাটের কানায় লেগে বল উঠে যায়। সহজ ক্যাচ ধরেন ধ্রুব জুরেল। এর পরে অবশ্য কয়েক বল রাজস্থানকে দাঁড়াতে দেয়নি বেঙ্গালুরু। প্রথম ওভারেই আর্চারকে তিনটি চার মারেন দেবদত্ত পডিক্কল। একটি চার মারেন কোহলি।
নান্দ্রে বার্গার এবং আর্চারের দ্বিতীয় ওভারেও তিনটি করে চার হয়। যখন মনে হচ্ছে খেলা বেঙ্গালুরুর নিয়ন্ত্রণে তখনই আবার আঘাত হানেন আর্চার। তাঁর বল তুলে খেলতে গিয়ে শিমরন হেটমায়ারের হাতে ক্যাচ দেন পডিক্কল (১৪)।
পডিক্কল ফেরার পর দলের দায়িত্ব নেন কোহলি। একের পর এক দর্শনীয় শট মেরে দলের রান রেট বাড়িয়ে নেন। কিন্তু রবি বিশ্নোইয়ের একটি গুগলিতে সম্পূর্ণ বোকা বনে ফিরতে হয় তাঁকে। স্টেডিয়াম জুড়ে তখন নিস্তব্ধতা। তার আগে পর্যন্ত কোহলির প্রতিটি শটে চিৎকার করে উঠছিলেন সমর্থকেরা।
কোহলি ফেরার পর বেঙ্গালুর ব্যাটিং তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে থাকে। ক্রুণাল পাণ্ড্য (১), জিতেশ শর্মা (৫), টিম ডেভিড (১৩) সকলে ব্যর্থ। এই অবস্থায় দলের হাল ধরেন পাটীদার। সঙ্গে পান রোমারিয়ো শেফার্ডকে (২২)। দু’টি চার এবং একটি ছয় মেরে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন শেফার্ড। ফেরেন রবীন্দ্র জাডেজার বলে। রাজস্থান বোলারদের চাপে ফেলে পাটীদার অর্ধশতরান করে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ৬৩ করে ফিরে যান সন্দীপ শর্মার বলে। বেঙ্গালুরু ২০০ পেরোলো বেঙ্কটেশ আয়ারের ১৫ বলে ২৯ রানের সৌজন্য়ে।রাজস্থানের হয়ে দু’টি করে উইকেট আর্চার, বিশ্নোই এবং ব্রিজেশ শর্মার।