দীনেশ কার্তিক। — ফাইল চিত্র।
বাবা হলেন দীনেশ কার্তিক। বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমে এই খবর জানিয়েছেন তিনি। তাঁর স্ত্রী তথা স্কোয়াশ খেলোয়াড় দীপিকা পাল্লিকাল তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সদ্যোজাতের নাম রাখা হয়েছে রাহা পাল্লিকাল কার্তিক।
আইপিএলে বিরাট কোহলির দল বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং কোচ কার্তিক। প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই সুখবর দিয়েছেন তিনি। এর আগে যমজ পুত্রসন্তান কবীর এবং জ়িয়ান রয়েছে এই দম্পতির। এ বার জন্ম হল কন্যাসন্তানের। ২০১৫-র ২৫ অগস্ট দীপিকাকে বিয়ে করেন কার্তিক। যমজ সন্তানের জন্ম হয় ২০২১-এ।
ভারতের হয়ে দীর্ঘ দিন ক্রিকেট খেলেছেন কার্তিক। আইপিএলেও একাধিক দলের হয়ে খেলেছেন। ক্রিকেট ছাড়ার পর এখন তিনি ব্যস্ত কোচিং এবং ধারাভাষ্য নিয়ে। অন্য দিকে, দীপিকা ভারতের প্রথম মহিলা খেলোয়াড় হিসাবে স্কোয়াশ র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম দশে ছিলেন। কমনওয়েলথ এবং এশিয়ান গেমসে একাধিক পদক রয়েছে তাঁর। শেষ বার ২০২৩ এশিয়াডে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সোনা জিতেছিলেন মিক্সড ডাবলসে।
উল্লেখ্য, কিছু দিন আগে বেঙ্গালুরুর সর্বকালের সেরা একাদশ বেছে নিয়েছিলেন কার্তিক। প্রথম তিন বেছে নিতে অসুবিধা হয়নি তাঁর। ক্রিস গেলের সঙ্গে রাখেন ফাফ ডুপ্লেসিকে। দু’জনেই বেঙ্গালুরু তথা আইপিএলের ইতিহাসে সেরা ওপেনার। তিনে নামবেন বিরাট কোহলি। পাঁচে কার্তিক রাখেন এবি ডিভিলিয়ার্সকে। চার নম্বরে কার্তিক যাঁকে রাখেন তিনিই দলের অধিনায়ক। তিনি রজত পাটীদার। গত বছর পাটীদারের নেতৃত্বে প্রথম আইপিএল জিতেছিল ভারত। তাঁকেই নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কার্তিকের দলে আইপিএল জয়ী দলের ক্রিকেটারেরাই মূলত জায়গা পেয়েছেন। পাটীদারকে অধিনায়ক করার প্রসঙ্গে কার্তিক বলেছেন, “ও অন্যতম সফল অধিনায়ক। তা ছাড়াও ব্যাটার হিসাবে অল্প দিনেই যে প্রভাব ফেলেছে তা অসাধারণ। আরসিবি-র অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। এক ধাপ এগিয়ে ওকেই অধিনায়ক করেছি। কোহলি নিঃসন্দেহে অনেক মরসুম সফল ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছে। তবে ট্রফি জিতেছে পাটীদারের আমলেই।”
বেঙ্গালুরুর হয়ে মাত্র এক মরসুম খেলা জিতেশ শর্মাকে উইকেটকিপার বেছেছেন কার্তিক। তাঁকেও নিয়েছেন নেতা এবং ব্যাটার হিসাবে প্রভাব ফেলার কারণে। একই কারণে নেওয়া হয়েছে ক্রুণাল পাণ্ড্যকেও। আরসিবি-তে এখন না থাকা হর্ষল পটেল, মহম্মদ সিরাজও জায়গা পেয়েছেন।
কার্তিকের সেরা একাদশ: ক্রিস গেল, ফাফ ডুপ্লেসি, বিরাট কোহলি, রজত পাটীদার, এবি ডিভিলিয়ার্স, জিতেশ শর্মা, ক্রুণাল পাণ্ড্য, হর্ষল পটেল, মহম্মদ সিরাজ, যুজবেন্দ্র চহল এবং জশ হেজ়লউড।