IPL 2026

আইপিএলে অন্তত দু’টি ম্যাচ খেলতে পারবেন না এনগিডি, চোট পাওয়া ক্রিকেটারকে বাধ্যতামূলক বিরতি নেওয়ার নির্দেশ

আগের ম্যাচে ক্যাচ নিতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনই আইপিএলে ফেরা হচ্ছে না এনগিডির। অন্তত দু’টি ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৪৭
cricket

এনগিডির চোট পাওয়ার মুহূর্ত। ছবি: পিটিআই।

আগের ম্যাচে ক্যাচ নিতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে গ্রিন করিডর করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখান থেকে ছাড়া পেলেও এখনই আইপিএলে ফেরা হচ্ছে না এনগিডির। অন্তত দু’টি ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি।

Advertisement

সোমবার দিল্লি খেলবে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে। সেই ম্যাচে এনগিডি খেলতে পারছেন না। টস করার সময়েই অধিনায়ক অক্ষর পটেল জানিয়ে দেন, এনগিডির জায়গায় শ্রীলঙ্কার দুষ্মন্ত চামিরা দলে ঢুকেছেন। এ ছাড়া মুকেশ কুমারকে বসিয়ে কাইল জেমিসনকে খেলাচ্ছে দিল্লি। শোনা গিয়েছে, বেঙ্গালুরু ছাড়াও ১ মে রাজস্থান ম্যাচেও এনগিডি খেলতে পারবেন না।

আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ক্রিকেটারের কনকাশন হলে অন্তত সাত দিন ক্রিকেট থেকে বিরতি নিতে হয় তাঁকে। এনগিডির ক্ষেত্রেও তেমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। যদিও আইপিএলের নিয়মে বিশদে এ সম্পর্কে কিছু বলা নেই।

চলতি আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার ধাক্কা খেল দিল্লি। চোটের কারণে আইপিএলের প্রথমার্ধে এমনিতেই খেলতে পারেননি মিচেল স্টার্ক। পঞ্জাব ম্যাচের আগে স্টার্ক দিল্লি শিবিরে যোগ দিলেও, ১ মে-র আগে খেলার অনুমতি পাননি। ফলে সোমবার চামিরা খেললেও, ১ মে প্রত্যাবর্তন হতে পারে স্টার্কের।

উল্লেখ্য, শনিবার দিল্লির রাজেন্দ্র নগরের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল এনগিডিকে। চোট পাওয়ার পর রবিবার সমাজমাধ্যমে প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন তিনি। এনগিডি লিখেছিলেন, ‘‘আপনাদের উদ্বেগের জন্য ধন্যবাদ। সব ভাল আছে।’’ তাঁর এই পোস্ট থেকে বোঝা গিয়েছিল, পরিস্থিতি স্থিতিশীল। হাসপাতালে বেশ কিছু পরীক্ষা করানো হয়েছিল প্রোটিয়া জোরে বোলারের। চিকিৎসকেরা অবশ্য শনিবারই জানিয়েছিলেন, ভয়ের কিছু নেই।

ঘটনাটি ঘটেছিল পঞ্জাব কিংসের ইনিংসের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে। অক্ষর পটেলের বল প্রিয়াংশ আর্য তুলে মেরেছিলেন। পিছনের দিকে ছুটতে ছুটতে ক্যাচ ধরতে যান এনগিডি। ক্যাচ ধরতে পারেননি। তবে খারাপ ভাবে মাটিতে পড়েন। তাঁর মাথা মাটিতে সজোরে ধাক্কা খায়। সঙ্গে সঙ্গে মাথা চেপে ধরে মাটিতে শুয়ে পড়েন তিনি।

পরিস্থিতি বুঝে মাঠেই চিকিৎসকদের ডেকে নেওয়া হয়। দূর থেকে দেখে মনে হয়েছিল, এনগিডি অচৈতন্য হয়ে গিয়েছেন। মাঝে এক বার তাঁকে চোখ খুলতে দেখা গেলেও পর ক্ষণেই বন্ধ করে দেন। পরে চিকিৎসায় সাড়া দিতে দেখা যায় তাঁকে। তখনই বোঝা গিয়েছিল তাঁর আর খেলা সম্ভব নয়। কিন্তু চোট কতটা গুরুতর সেটা তখনও বোঝা যায়নি।

এর পর মাঠে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ঢুকতে দেখা যায়। এনগিডিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য আনা হয় একটি স্ট্রেচার। তবে সঙ্গে সঙ্গে তোলা যায়নি। এনগিডির শরীর শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কোনও মতে তাঁকে স্ট্রেচারে করে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলা হয়। সেই সময় এনগিডিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর জাতীয় দলের সতীর্থ ট্রিস্টান স্টাবস, ডেভিড মিলারেরা। পঞ্জাবের কোচ রিকি পন্টিংকেও গম্ভীর মুখে মাঠে ঢুকতে দেখা যায়। এনগিডিকে নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর খেলা আবার শুরু হয়। গ্রিন করিডর করে ১১ মিনিটে অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম থেকে রাজেন্দ্র নগরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ক্রিকেটারকে।

Advertisement
আরও পড়ুন