সুনীল নারাইন। ছবি: পিটিআই।
লখনউয়ের বিরুদ্ধে কলকাতার একমাত্র বোলার হিসাবে ম্যাচে তিনি ছয়ের কম রান দিয়েছিলেন। তাঁর বোলিং দক্ষতা নিয়ে সন্দেহ নেই কারও মধ্যেই। তাই ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ানোর পর কাকে একমাত্র ওভারটি দেওয়া হবে তা নিয়ে কলকাতা শিবিরে বিশেষ সন্দেহ ছিল না। মাত্র তিনটি বল লাগল সুনীল নারাইনের লখনউয়ের দুই ব্যাটারকে আউট করতে। পরে তিনি স্বীকার করলেন, সুপার ওভারে বল করতে বেশ ভাল লাগে। কেন তাঁকে সুপার ওভারে বল করতে ডাকা হয়েছিল সেটাও জানিয়েছেন।
সঞ্চালকের প্রশ্নের উত্তরে নারাইন বলেন, “আসলে এই সময়ে খুব একটা বিকল্প থাকে না হাতে। সুপার ওভারের পরিস্থিতি খুবই কঠিন। তবে আমার মতে, প্রথমে সুপার ওভার করা বেশ সহজ ব্যাপার।” লখনউয়ের তিন ক্রিকেটারকে আউট করার পরেও বিশেষ উচ্ছ্বাস করতে দেখা যায়নি নারাইনকে। এ প্রসঙ্গে তাঁর উত্তর, “ক্রিকেট খুব শক্ত খেলা। তাই উচ্ছ্বাসের মতো বিষয় নিয়ে ভাবার সময় থাকে না। আমি তো সে সব নিয়ে চিন্তাও করি না।”
প্রথম বলেই স্বদেশি নিকোলাস পুরানকে আউট করে দেন নারাইন। সেই প্রসঙ্গে নারাইনের উত্তর, “আগে থেকে কোনও পরিকল্পনা ছিল না। পরিস্থিতি এ সব বিষয় সহজ করে দেয়। গোটা দলের জন্য খুশি। আমরা খোঁড়াচ্ছিলাম। একটা একটা ম্যাচ ধরে এগোনোর চেষ্টা করলেই আমরা ভাল খেলব।”
২০তম ওভারে ১৭ রান দরকার ছিল। কিন্তু কার্তিক ত্যাগীর অনভিজ্ঞতা ডুবিয়েছে কেকেআরকে। তবে সতীর্থের পাশেই দাঁড়ালেন নারাইন। বললেন, “এই ধরনের পরিস্থিতিতে খেলা খুবই কঠিন। সিনিয়র হোক বা জুনিয়র, সকলের কাছেই কঠিন। প্রতিটা ভুল থেকেই শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। সেটা সংশোধন করতে হয়। অবশ্য আমি সুপার ওভার করতে আসার সময় গোটা দল পাশে ছিল। বলছিল, বেশি না ভাবতে।”
সুপার ওভারে কে তাঁকে দিয়ে বল করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল? নারাইনের জবাব, “সব কোচেরাই বলল আমার বল করা উচিত। আমি বললাম, ঠিক আছে।”