এই রান আউট নিয়েই বিতর্ক। ছবি: সমাজমাধ্যম।
রবিবার কলকাতা বনাম লখনউ ম্যাচে বিতর্ক তৈরি হল অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর রান আউটকে কেন্দ্র করে। তাঁকে তৃতীয় আম্পায়ার ‘অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড’ আউট দেন। অঙ্গকৃশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ইচ্ছা করে বলের সামনে এসেছিলেন, যাতে বল উইকেটে না লাগে। যদিও এই সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারেননি তরুণ ব্যাটার। আম্পায়ারের সঙ্গে তর্ক করা ছাড়াও সাজঘরে ফিরে এমন আচরণ করে যাতে তাঁর শাস্তি হতে পারে।
ঠিক কী হয়েছিল ঘটনাটি?
পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ঘটনাটি ঘটে। প্রিন্স যাদবের বল মিড অনের দিকে ঠেলে রান নিতে ছুটেছিলেন অঙ্গকৃশ। তিনি কিছুটা দৌড়ে আসার পর ফেরত পাঠান ক্যামেরন গ্রিন। অঙ্গকৃশ সঙ্গে সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়ে ক্রিজ়ের দিকে ছুটতে শুরু করেন। শেষ মুহূর্তে ডাইভ দেন। তার আগেই মহম্মদ শামির থ্রো তাঁর পায়ে লাগে।
এর পরেই শামি-সহ লখনউয়ের ক্রিকেটারেরা আবেদন করতে থাকেন যে, ইচ্ছা করে বলের সামনে এসে রান আউট থেকে বাঁচতে চেয়েছেন অঙ্গকৃশ। অন-ফিল্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দেন তৃতীয় আম্পায়ারকে। তৃতীয় আম্পায়ার জানান, ক্রিজ়ে ফেরার আগে নিজের গতিপথ বদল করেন অঙ্গকৃশ। বৃত্তাকারে ঘুরে গিয়ে ক্রিজ়ে ফেরার চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁর চোখও ছিল বলের দিকে। ফলে তিনি যে ইচ্ছা করে বলের সামনে আসার চেষ্টা করেছেন সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সে সব বিবেচনা করেই তাঁকে আউট দেওয়া হয়।
অঙ্গকৃশ এই সিদ্ধান্তে একেবারেই খুশি হতে পারেননি। কিছু ক্ষণ মাঠের আম্পায়ারদের সঙ্গে তর্ক করেন। সাজঘরে ফেরার সময় মাটিতে সজোরে ব্যাট আছড়াতে দেখা যায় তাঁকে। ছুড়ে ফেলে দেন গ্লাভসও। ডাগআউটে বসে থাকা কোচ অভিষেক নায়ার এবং সহকারী কোচ শেন ওয়াটসনও এই সিদ্ধান্ত বিশ্বাস করতে পারেননি। পরে অভিষেককে দেখা যায় হাত-পা নেড়ে উত্তেজিত ভাবে চতুর্থ আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতে। তবে লাভের লাভ কিছুই হয়নি।