ভুবনেশ্বরের (বাঁ দিকে) সঙ্গে উল্লাস কোহলির। ছবি: পিটিআই।
আইপিএলের প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকতে গেলে প্রতিটি ম্যাচেই জিততে হবে, এই অবস্থায় রবিবার বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সেই ম্যাচে আবার ব্যাটিং ব্যর্থতার মুখে পড়ল মুম্বই। দলের ওপেনার, অধিনায়ক ব্যর্থ হলেন। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ১৬৬/৭ তুলল মুম্বই। ৩৬ বছরের ভুবনেশ্বর কুমার চার উইকেট নিয়ে চমকে দিলেন।
এ বার বেঙ্গালুরু নিজেদের দ্বিতীয় হোম গ্রাউন্ড হিসাবে বেছে নিয়েছে রায়পুরকে। সেই মাঠে এ দিনই ছিল প্রথম ম্যাচ। টসে জিতে বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাটীদার প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম ওভারেই রায়ান রিকেলটনকে (২) ফিরিয়ে দেন ভুবনেশ্বর।
রোহিতের সঙ্গে যোগ দেন নমন ধীর। দু’জনে মিলে প্রাথমিক ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করছিলেন। দ্বিতীয় ওভারে জশ হেজ়লউডকে একটি চার এবং দু’টি ছয় মেরে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রোহিত। কিন্তু বেশি ক্ষণ তা পারেননি। তৃতীয় ওভারে রোহিতকেও তুলে নেন ভুবনেশ্বর। খোঁচা দিয়ে জিতেশ শর্মার হাতে ক্যাচ দেন রোহিত (২২)। পরের বলেই আউট হন সূর্যকুমার। বাবা হওয়ার পর আবার আইপিএলে ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের দুঃসময় কাটতেই চাইছেন না। আইপিএলের পর তিনি টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক থেকে গেলে অবাকই হতে হবে। এ দিন ভুবনেশ্বরের বলে খোঁচা মেরে ক্যাচ দেন বিরাট কোহলির হাতে।
২৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছিল মুম্বই। দলকে বাঁচাতে আসরে নামেন নমন এবং তিলক বর্মা। মুম্বইএর আগে তিনে তিলককে নামালেও সম্প্রতি নমন সেই জায়গায় খেলছেন। পাঁচে নেমে তিলকও এ দিন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেন। ধীরগতিতে হলেও দু’জনে রানের গতি বাড়াতে থাকেন। কিন্তু রসিখ দারের বলের থই পাননি তিনি। ইনসুইং ভেতরে ঢুকে এসে নমনের (৪৭) স্টাম্প নড়িয়ে দেয়।
বেশি ক্ষণ টিকতে পারেননি তিলকও। তিনি অর্ধশতরান করেন। শেষ পর্যন্ত ভুবনেশ্বর দ্বিতীয় স্পেলে এসে তুলে নেন তিলককে (৫৭)। এর পর আর মুম্বইয়ের বড় জুটি হয়নি। ওপেনিংয়ে উইল জ্যাকস ভাল খেলছিলেন। এ দিন ছয়ে নেমে জ্যাকস (১০) ব্যর্থ। তরুণ রাজ অঙ্গদ বাবা চলতি আইপিএলে প্রথম বার ব্যাট করতে নেমেছিলেন। কিন্তু চাপের মুখে ভাল খেলতে পারেননি তিনিও।