কার্লো আনচেলোত্তি। ছবি: রয়টার্স।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে হলে ব্রাজ়িলকে টপকাতে হবে নরওয়ের বাধা। ব্রাজ়িল কোচ কার্লো আনচেলোত্তির প্রধান চিন্তা আর্লিং হালান্ড। গোলের সামনে বিপজ্জনক ম্যাঞ্চেস্টার সিটির স্ট্রাইকারকে গুরুত্ব না দিয়ে উপায় নেই। তাঁকে আটকানোর পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছেন আনচেলোত্তি।
ব্রাজ়িল কোচ আত্মবিশ্বাসী। হালান্ডকে গুরুত্ব দিলেও বাড়তি সমীহ করতে তিনি নারাজ। আনচেলোত্তির বিশ্বাস, হালান্ডকে আটকানোর মতো রসদ রয়েছে তাঁর দলের ডিফেন্সে। তা ছাড়া ব্রাজ়িলের ফুটবলারদের হালান্ডের বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। হালান্ড দক্ষ স্ট্রাইকার হলেও অচেনা নন।
রাউন্ড অফ ১৬-র ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করে দেওয়া আনচেলোত্তি বলেছেন ‘‘হালান্ড কী ভাবে খেলে, সেটা সকলেই জানে। ওর বিরুদ্ধে কী করে খেলতে হবে, এটা আমার ডিফেন্ডারদের শেখাতে হবে না। ক্লাব ফুটবলে ওরা অনেক বার হালান্ডকে সামলেছে।’’ ব্রাজ়িলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস ভাল ভাবে জানেন হালান্ডকে। নিউ ক্যালেস ইউনাইটেডের ফুটবলার বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছেন নরওয়ের স্ট্রাইকারের বিরুদ্ধে। নরওয়ের মাঝমাঠের সঙ্গে হালান্ডের যোগাযোগ ছিন্ন করার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে তাঁকে।
নরওয়ে ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে আনচেলোত্তি বলেছেন, ‘‘আমরা ভাল ভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার ব্যাপারেই মনোনিবেশ করছি। হালান্ডের দক্ষতা অবশ্যই বিবেচনায় রাখছি। নিঃসন্দেহে হালান্ড অত্যন্ত বিপজ্জনক ফরোয়ার্ড। আমাদের চেষ্টা করতে হবে, যাতে ও বল না পায়।’’
অন্য দিকে, গিমারায়েস বলেছেন, ‘‘আমরা আক্রমণে উঠলেও হালান্ডের সঙ্গে কাউকে থাকতে হবে। ছেড়ে রাখা যাবে না। কারণ এক বার বল পেলেই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দিতে পারে হালান্ড। আমরা জানি, ওরা আমাদের বক্সে প্রচুর বল পাঠাবে। প্রতিটি ফ্রিকিক বা কর্নার থেকে গোল করার মরিয়া চেষ্টা করবে হালান্ড।’’
নরওয়ের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছেন আনচেলোত্তি। সেই মতো দলকে অনুশীলন করাচ্ছেন। ব্রাজ়িলের কোচ আশা করছেন, সমস্যা হবে না। মেনে নিয়েছেন, কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে তাঁর দলকে। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে পাঁচ গোল করেছেন হালান্ড।