East Bengal

‘জয় ইস্টবেঙ্গল’, লাল-হলুদ নিয়ে বার্তা সদ্য পদত্যাগী কোচ কুয়াদ্রাতের

ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষ, সমর্থক এবং তাঁর সহকারী ও খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানান কার্লেস কুয়াদ্রাত। সঙ্গে লাল-হলুদ বাহিনীর সাফল্যও কামনা করেছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৪ ১৮:৪৯
carles cuadrat

কার্লেস কুয়াদ্রাত। —ফাইল চিত্র।

পদত্যাগ করার পর সমাজমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তা কার্লেস কুয়াদ্রাতের। ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষ, সমর্থক এবং তাঁর সহকারী ও খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানান তিনি। সঙ্গে লাল-হলুদ বাহিনীর সাফল্যও কামনা করেছেন।

Advertisement

প্রায় দু’মাস আগে প্রাক মরসুম প্রস্তুতি শুরু করা সত্ত্বেও আইএসএলের প্রথম তিনটি ম্যাচে ও এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বাছাই পর্বের ম্যাচে হেরে যায় ইস্টবেঙ্গল। এর আগে ডুরান্ড কাপের ফাইনালেও উঠতে পারেনি তারা। ফলে ক্লাবের সমর্থকেরাও কোচের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এর পরেই দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন কুয়াদ্রাত। গত সোমবার দুপুরে তাঁর পদত্যাগ করার কথা জানায় কুয়াদ্রাত। আপাতত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিনো জর্জ।

সমাজমাধ্যমে কুয়াদ্রাত লিখেছেন, “যে বিশেষ মুহূর্তগুলি আমরা ক্লাবে একসঙ্গে কাটিয়েছি, সে জন্য ইস্টবেঙ্গলকে ধন্যবাদ। এমন এক ঐতিহ্যবাহী ও মহান ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটা সন্মানের, গর্বেরও।”

গত মরসুমে কুয়াদ্রাতের প্রশিক্ষণেই প্রায় ১২ বছর পর কোনও জাতীয় স্তরের খেতাব জিতেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। কলিঙ্গ সুপার কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তার আগে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপেও রানার্স হয় তারা। আইএসএলেও নক আউট পর্বের দোরগোড়া থেকে ফিরে আসে লাল-হলুদ বাহিনী। তাঁর সেই সাফল্যের প্রশংসা করে ও ধন্যবাদ জানিয়ে ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে বিদায় জানানো হয়। ক্লাবের সঙ্গে জড়িত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কুয়াদ্রাতও।

ইস্টবেঙ্গলের আগে কুয়াদ্রাত জড়িত ছিলেন বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে। সেই কথা উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, “দুই সফল প্রকল্প, ২০১৯-এ বেঙ্গালুরু এফসি-কে আইএসএল জেতানো এবং ২০২৪-এ ইস্টবেঙ্গলকে সুপার কাপ জেতানোর সুযোগ দেওয়ার জন্য ভারতীয় ফুটবলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার সহকারীদের ধন্যবাদ জানাই। তাদের চেষ্টা, ভালবাসা ও আন্তরিকতা ছাড়া কিছুই সম্ভব হত না। জয় ইস্টবেঙ্গল।”

শনিবার জামশেদপুরে চলতি লিগের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নামছে কুয়াদ্রাতহীন ইস্টবেঙ্গল। তিন ম্যাচে কোনও পয়েন্ট না পেয়ে লিগ টেবলের একেবারে নীচে নেমে যাওয়া দলের সামনে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। জর্জের তত্ত্বাবধানে সেই লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল।

Advertisement
আরও পড়ুন