লিয়োনেল মেসি। —ফাইল চিত্র।
ইন্টার মায়ামির হয়ে গত রবিবার খেলতে নেমে ১৮ মিনিটেই মাঠ ছেড়ে ছিলেন লিয়োনেল মেসি। বাঁ পায়ে অস্বস্তি হওয়ায় বিশ্বকাপের আগে ঝুঁকি নেননি। তখন থেকেই মেসিকে নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে। ইন্টার মায়ামি কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মেসির পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন। তাতে আসন্ন বিশ্বকাপে এলএম টেনের খেলা নিয়ে আরও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মেসির চোট নিয়ে মায়ামি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ‘‘গত ২৪ মে ফিলাডেলফিয়া ইউনাইডেটের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন শারীরিক অসুস্থতার কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন আমাদের অধিনায়ক লিয়োনেল মেসি। তাঁর একাধিক পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মেসির হ্যামস্ট্রিংয়ে টান ধরেছে। পেশির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার জন্য সমস্যা হয়েছে। মেসির আবার মাঠে ফেরা নির্ভর করবে পরিস্থিতির উন্নতি এবং তাঁর সুস্থতার উপর।’’
মায়ামি কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট ভাবে জানাননি, মেসির পুরো ফিট হতে কত দিন লাগতে পারে। কয়েক দিন তাঁকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে। স্বভাবতই বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের পুরো ফিটনেস ফিরে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেসির চোট গুরুতর নয়। কয়েক দিন বিশ্রাম প্রয়োজন তাঁর। জুনের শুরুতে আমেরিকায় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে যোগ দিতে ৩৮ বছরের ফুটবলারের সমস্যা হবে না বলেও দাবি করা হয়েছে।
রবিবারের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নামেন মেসি। ৭০ মিনিটে একটি ফ্রিকিক নেওয়ার পর বাঁ পায়ের ঊরুতে ব্যথা অনুভব করেন মেসি। উঠে যান মাঠ থেকে। কারও সাহায্য ছাড়াই মাঠ ছাড়লেও সরাসরি সাজঘরে চলে যান মেসি। দলের ডাগআউটে না বসে সোজা সাজঘরে চলে যাওয়ায় মেসি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
উল্লেখ্য, আগামী ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ আর্জেন্টিনার। সেই হিসাবে হাতে তিন সপ্তাহ মতো সময় রয়েছে। গ্রুপ ‘জে’তে আর্জেন্টিনাকে খেলতে হবে অস্ট্রিয়া এবং জর্ডনের সঙ্গেও। আর্জেন্টিনার কোচ লিয়োনেল স্কালোনি এখনও বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেননি।