FIFA World Cup 2026

বিশ্বকাপের জন্য ২৪৫ কোটি টাকা খরচে তৈরি হচ্ছে কারাগার! সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় উদ্বেগে কানসাস সিটি প্রশাসন

ম্যাচের ফলাফল বিপক্ষে গেলে অশান্তি সৃষ্টির একাধিক নজির রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। তেমন ঘটনা কড়া হাতে দমন করতে চায় আমেরিকার প্রশাসন। প্রয়োজনে উগ্র সমর্থকদের বিশ্বকাপের সময় বন্দি রাখা হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ ২০:৩১
picture of football

এখন চলছে জেল তৈরির কাজ। ছবি: এক্স।

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী কারাগার। আমেরিকার কানসাস সিটিতে বিপুল ব্যায়ে নতুন কারাগার তৈরি করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। গত ১ জুন নতুন কারাগার উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। কর্মী সঙ্কটের জন্য নির্মাণ কাজে দেরি হওয়ায় স্থানীয় আয়োজকেরা।

Advertisement

ফুটবল বিশ্বকাপের সময় বিশৃঙ্খলা সামাল দেওয়ার জন্য ১০০ শয্যার অস্থায়ী কারাগার তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় স্থানীয় প্রশাসন। এর জন্য খরচ ধরা হয় ২ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা প্রায় ২৪৫ কোটি টাকা। ২০০৯ সাল থেকে কানসাস সিটিতে কোনও কারাগার নেই। সেখানকার পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করলে প্রাথমিক ভাবে থানায় রাখা হয়। প্রয়োজনে বন্দিদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় পার্শ্ববর্তী জনসন কাউন্টি বা ভেরনন কাউন্টির কারাগারে। দু’টিই প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে।

বিশ্বকাপের সময় বিদেশি ফুটবলপ্রেমীদের বিশৃঙ্খলা সামাল দিতে এবং পার্শ্ববর্তী কাউন্টিগুলির কারাগারের উপর চাপ কমাতে ফ্রন্ট স্ট্রিটে অস্থায়ী কারাগার তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নির্মাণের কারণে কারাগারের জন্য পর্যাপ্ত কর্মী পাওয়া যায়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যায়নি কাজ।

আগামী ১৬ জুন কানসাস সিটিতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ। আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে আলজেরিয়া। সেই ম্যাচের আগে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শেষ করার চেষ্টা হচ্ছে। তা-ও আদৌ বিশ্বকাপের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার নিশ্চয়তা নেই।

যে সব দেশের ফুটবলপ্রেমীদের নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজকেরা উদ্বেগে থাকেন, সেগুলির অন্যতম আর্জেন্টিনা। কানসাস সিটি প্রশাসনের বেশি চিন্তা ইংল্যান্ডের সমর্থকদের নিয়ে। কারণ ম্যাচের ফলাফল বিপক্ষে গেলে অশান্তি সৃষ্টির একাধিক নজির রয়েছে তাঁদের। তেমন ঘটনা কড়া হাতে দমন করতে চায় আমেরিকার প্রশাসন। প্রয়োজনে উগ্র সমর্থকদের গোটা বিশ্বকাপের সময় কারাগারে বন্দি রাখা হবে। বিশ্বকাপের পরও কারাগারটি থাকবে। তবে ছোট আকারে। উল্লেখ্য, আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ড দু’দলই আপাতত রয়েছে কানসাস সিটিতে।

Advertisement
আরও পড়ুন