লিয়োনেল মেসি। ছবি: রয়টার্স।
সোমবার অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম গোল করার পরেই ইতিহাস তৈরি করেন লিয়োনেল মেসি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোল হয়ে গিয়েছে তাঁর। এই মুহূর্তে তাঁর ১৮টি গোল রয়েছে। টপকে গিয়েছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজ়েকে। তবে এটিই একমাত্র নয়, বিশ্বকাপে মেসির নামের পাশে রয়েছে চারটি বিশ্বরেকর্ড। সেগুলি প্রকাশ্যে এনেছে গিনেস।
১) বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন মেসি। ২০১৪-য় মিরোস্লাভ ক্লোজ়ে (১৬) যে নজির গড়েছিলেন, তা টপকে গিয়েছেন তিনি। ব্রাজ়িলের রোনাল্ডোর রয়েছে ১৫টি গোল।
২) বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এই নজির অবশ্য আগেই হয়ে গিয়েছে মেসির। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে নামার পরেই ইটালির পাওলো মালদিনির খেলা ২৫টি ম্যাচ টপকে গিয়েছিলেন তিনি। এই মুহূর্তে মেসি খেলেছেন ২৮টি ম্যাচ।
৩) বিশ্বকাপে হিসাবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জিতেছেন মেসি। ১৮টি ম্যাচ জিতেছেন তিনি। ক্লোজ়ে জিতেছিলেন ১৭টি ম্যাচ। সোমবার রাতে সেই নজির টপকে গিয়েছেন মেসি। ১৬টি ম্যাচ জিতেছেন ব্রাজ়িলের কাফু।
৪) বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি, ২৪৮৯ মিনিট খেলেছেন মেসি। এই নজিরটিও তিনি আগের বিশ্বকাপেই গড়ে ফেলেছিলেন। মালদিনির ২২১৭ মিনিট খেলার নজির টপকে গিয়েছিলেন তিনি। এই মুহূর্তে মেসি প্রায় ৪২ ঘণ্টা খেলেছেন বিশ্বকাপে।
অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে দলকে জিতিয়ে মেসি বলেন, “দল জেতায় সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি। খুব দরকার ছিল এই জয়টা। কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। দল নকআউটে ওঠায় মানসিক শান্তি পেয়েছি, যা ভবিষ্যতে আমাদের সাহায্যে করবে। এই বিশ্বকাপে সব ম্যাচই টান টান হবে। কঠোর পরিশ্রম করতে হবে ম্যাচ জিততে গেলে। আমি প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করছি। সতীর্থদের সঙ্গে আনন্দ করার জন্য তর সইছে না।”
দু’গোলে জিতলেও অস্ট্রিয়া যথেষ্ট লড়াই করেছে বলে মনে করেন মেসি। জয় যে সহজে আসবে না, এটাও তিনি জানতেন। মেসি বলেন, “জিততে পেরে খুশি হয়েছি। কিন্তু কতটা কষ্ট করে জয় পেতে হয়েছে সেটা সকলেই দেখেছেন। ছ’পয়েন্ট পাওয়া খুব দরকার ছিল। আমরা জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিলাম। তবে এটা জানতাম জয় সহজে আসবে না। এখনকার ফুটবলে কোনও দলই সহজে হাল ছেড়ে দেয় না। প্রতিটা ম্যাচই মনোযোগ দিয়ে খেলতে হয়।”