লিয়োনেল মেসি। ছবি: রয়টার্স।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে প্রতিযোগিতা মাতিয়ে দিয়েছেন লিয়োনেল মেসি। গোলের পর তাঁকে হাত ছড়িয়ে উচ্ছ্বাস করতেও দেখা গিয়েছে। তবে বার বার একই কায়দায় মেসির উচ্ছ্বাস পছন্দ হচ্ছে না খুদে সমর্থকের। সে মেসিকে নতুন কায়দায় উচ্ছ্বাস প্রকাশের ধরন শিখিয়ে দিয়েছে।
বুধবার খেলা শেষ হওয়ার পর মেসিরা টিম বাসে উঠতে যাচ্ছিলেন। সে সময়ই বাবার সঙ্গে হাজির হয় ওই খুদে সমর্থক। মেসির সঙ্গে কিছু কথা বলার পর সে অনুরোধ করে, পরের বার গোল করলে অন্য ভাবে উচ্ছ্বাস করতে। কী ভাবে উচ্ছ্বাস করতে হবে সেটাও দেখিয়ে দেয় সে।
হাত দু’টিকে সামনে এনে মুঠো করে রাখে ওই খুদে। তার পর হাত নাড়িয়ে কোমর দুলিয়ে এক পাক ঘুরে নেয় সে। গোটা ব্যাপারটিই খুঁটিয়ে লক্ষ করেছেন মেসি। এখন দেখার পরের গোলের পর এই সমর্থকের দেখানো উপায়ে উচ্ছ্বাস করেন কি না। ওই খুদে সমর্থকের সঙ্গে একাধিক ছবিও তুলেছেন তিনি।
আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার নেওয়ার পর মেসি জানিয়েছেন তাঁর বিশ্বকাপ প্রস্তুতির কথা। মেসি বলেছেন, ‘‘ছোট থেকেই আমি ফুটবল খেলতে ভালবাসি। ভাল ফর্মে থাকলে নিজের সর্বস্ব দিয়ে খেলি। রাফায়েল নাদালকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্রটা দেখেছি। দেখে মনে হয়েছে, আমরা অনেকটা একই রকম। আমি ভাল কিছু করতে চাই। ভাল ফর্মে থাকলে, ভাল কন্ডিশনে থাকলে অবশ্যই চেষ্টা করব।’’
নাদাল কী ভাবে নিজেকে তৈরি করতেন, কেমন ফিটনেস ট্রেনিং করতেন, সব দেখেছেন লিয়ো। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ২২টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিকের মানসিক প্রস্তুতির পদ্ধতি থেকে শেখার চেষ্টা করেছেন বিশ্বকাপে আলজেরিয়া ম্যাচের আগে। ফুটবলে মেসির জেতার কিছু বাকি নেই। হয়তো এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। তা-ও মাঠে প্রতি মুহূর্তে নিজের সেরাটা দিতে চান। খেলার জন্য খেলতে চান না। আর্জেন্টিনার আরও এক বার বিশ্বজয়ের সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য লড়াই করছেন। নাদাল যেমন কোর্টে প্রতিপক্ষকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তেন না, মেসিও সে ভাবেই লড়তে চান।