Robson Robinho

কোচ যেখানে বলবেন, সেখানেই খেলবেন মোহনবাগানের উইঙ্গার রবসন, সব ম্যাচে নিজের সেরাটা দিতে চান

রবসন রবিনহো মোহনবাগানকে বাছেননি। মোহনবাগান তাঁকে বেছেছে। নতুন দলের সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব মানিয়ে নিতে চান ব্রাজিলীয় উইঙ্গার। খেলতে চান কলকাতা ডার্বি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯:৪৯
Picture of Robson Robinho

রবসন রবিনহো। ছবি: সংগৃহীত।

নেমারের বিরুদ্ধে খেলা রবসন রবিনহো সোমবার চলে এসেছেন কলকাতায়। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মোহনবাগানের ব্রাজিলীয় উইঙ্গার। সবুজ-মেরুন তাঁবুতে বসে তিনি বললেন, ভারতের সেরা ক্লাবের প্রস্তাব উপেক্ষা করতে পারেননি।

Advertisement

বাংলাদেশের ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের কোচ থাকার সময় অস্কার ব্রুজ়োর অন্যতম ভরসা ছিলেন রবসন। তাঁকে এ মরসুমে লাল-হলুদ জার্সি পরাতে চেয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। কিন্তু সেই প্রস্তাব উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষ সবুজ-মেরুন শিবিরের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রবসন। ষষ্ঠ বিদেশি হিসাবে যোগ দিয়েছেন ৩০ বছরের ফুটবলার।

মোহনবাগানে যোগ দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত রবসন। তিনি বলেছেন, ‘‘মোহনবাগান খুব ভাল দল। বেশ শক্তিশালী। বাংলাদেশের বসুন্ধরার কিংসের হয়ে এই ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। ফুটবল দলগত খেলা। আমার লক্ষ্য থাকবে, যত দ্রুত সম্ভব দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। কারণ মোহনবাগান আমাকে বেছে নিয়েছে।’’

নতুন ক্লাবের হয়ে লক্ষ্য কী? রবসন বলেছেন, ‘‘মোহনবাগানের হয়ে নিজের সেরাটা দিতে চাই। প্রতিটা ম্যাচে নিজেকে উজাড় করে দিতে চাই। আইএসএল, এএফসি, সুপার কাপ খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’’

উইঙ্গার রবসন স্ট্রাইকার হিসাবেও স্বচ্ছন্দে খেলতে পারেন। ইস্টবেঙ্গল কোচ ব্রুজ়ো বাংলাদেশে তাঁকে স্ট্রাইকার হিসাবেই ব্যবহার করতেন। ব্রুজ়োর দলের হয়ে তাঁর সাফল্য নজরকাড়া। তিন বছরে ৯৭টি ম্যাচে ৬৪টি গোল রয়েছে তাঁর। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪৯টি গোল। নতুন ক্লাবে নিজের পজিশন নিয়ে অবশ্য ভাবছেন না। রবসন বলেছেন, ‘‘কোন পজিশনে খেলব, সেটা ঠিক করবেন কোচ। এটা কোচের সিদ্ধান্ত। তিনি আমাকে যে ভাবে খেলাবেন, সে ভাবেই খেলব। আমি ডুরান্ড কাপের সব ম্যাচ দেখেছি। ডার্বিও দেখেছি। অবশ্যই কলকাতা ডার্বি খেলতে চাই।’’ সাও পাওলো লিগে নেমারের বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়েও উচ্ছ্বসিত রবসন। তিনি বলেছেন, ‘‘কখনও ভাবিনি নেমারের সঙ্গে একই ম্যাচে খেলার সুযোগ পাব। নেমার অন্য মাপের ফুটবলার। দুরন্ত।’’

বাংলাদেশে খেলার সূত্রে সামান্য হলেও বাংলা শিখেছেন। বেশ কিছু বাংলা শব্দের সঙ্গে তিনি পরিচিত। তাই সমর্থকদের আবদার বুঝতে সমস্যা হবে না বলে মনে করেন। সুযোগ পেলে কলকাতার বিরিয়ানি এবং মিষ্টি খেতে চান মোহনবাগানের নতুন বিদেশি।

Advertisement
আরও পড়ুন