Vivekananda Cup

স্বামীজির নামে নতুন ফুটবল প্রতিযোগিতা ক্রীড়া দফতরের, ঘোষণা ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের

সংকীর্ণ রাজনীতির কারণে দেশের ফুটবল পিছিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার নবমহাকরণে অভিযোগ করেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। জেলা স্তরে নতুন ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু করার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২১ অগস্ট ২০২৫ ১৭:৪৪
football

নবমহাকরণে সাংবাদিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (মাঝে), ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি (বাঁ দিকে) ও আইএফএ সভাপতি অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)। —নিজস্ব চিত্র।

১৮৯৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শিকাগো শহরে ধর্মীয় সম্মেলনে স্বামী বিবেকানন্দের ঐতিহাসিক বক্তৃতার ১৩৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। স্বামী বিবেকানন্দ কাপ জেলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করতে চলেছে ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতর।

Advertisement

বৃহস্পতিবার নবমহাকরণে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, রাজ্যের ফুটবল নিয়ামক সংস্থা আইএফএ-র প্রেসিডেন্ট অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, সচিব অনির্বাণ দত্ত। এ বছর ক্রীড়া দফতরের সঙ্গে যৌথ ভাবে প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে আইএফএ।

ক্রীড়ামন্ত্রী জানান, প্রতিযোগিতায় রাজ্যের ২৩টা জেলা অংশ নেবে। প্রতি জেলা থেকে ৮টা করে দল খেলবে। প্রথমে জেলাভিত্তিক প্রতিযোগিতা হবে। সেখান থেকে প্রতি জেলার সেরা দুই দল আন্তঃজেলা স্তরে খেলবে। প্রতিযোগিতা চলবে ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত। মোট ৩৯০টা ম্যাচ হবে।

প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১১ সেপ্টেম্বর হাওড়ার বেলুড়ে স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিষ্ঠিত মাঠে। ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, কলকাতার ক্লাবকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে এই প্রতিযোগিতায়। এর মাধ্যমে আগামী দিনে প্রতিভাবান ফুটবলারদের তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য।

এখন ভারতীয় ফুটবল বিশ্বের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৩৭ নম্বরে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে অরূপ বলেন, “বাংলার প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব ছাড়া ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি সম্ভব নয়। সংকীর্ণ রাজনীতির কারণে দেশের ফুটবল পিছিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা চাই, এই প্রতিযোগিতা থেকে নতুন প্রতিভা উঠে আসুক এবং ভারতীয় ফুটবলকে এগিয়ে নিয়ে যাক।” প্রতিযোগিতা নিয়ে উৎসাহ তৈরি হয়েছে জেলার ফুটবলার ও কোচেদের মধ্যে। রাজ্যের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভারা এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাবে বলেই মনে করছেন অরূপ। তাঁর আশা, এই উদ্যোগ রাজ্যে শুধু ফুটবলের জনপ্রিয়তাই বাড়াবে না, জাতীয় স্তরেও দক্ষ খেলোয়াড়ের জোগান দেবে।

Advertisement
আরও পড়ুন