FIFA World Cup 2026

ভিসা সমস্যা, অভিবাসন নীতি নিয়ে প্রশ্ন! কেন এত কড়াকড়ি আমেরিকায়? বিশ্বকাপ শুরুর দিন মুখ খুললেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় মধ্যরাতে শুরু বিশ্বকাপ। কিন্তু তার আগেও আমেরিকার অভিবাসন নীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সব প্রশ্নের জবাব দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১০:৫২
football

বিশ্বকাপ আয়োজন করতে গিয়ে বার বার সমালোচনার মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

সবই আমেরিকার জন্য। বলে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় মধ্যরাতে শুরু বিশ্বকাপ। কিন্তু তার আগেও আমেরিকার অভিবাসন নীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সব প্রশ্নের জবাব দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, যা করা হচ্ছে সবই আমেরিকার জন্য।

Advertisement

সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্প পুরো বিষয়টি সুরক্ষার দিক থেকে দেখছেন। তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকায় যাঁরা খেলা দেখতে আসছেন, তাঁদের প্রত্যেকের সম্পর্ক ভাল ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাতে কোনও ভাবেই জঙ্গি কার্যকলাপ বা নাশকতার সঙ্গে যুক্ত কেউ না ঢুকতে পারেন তার জন্য এই ব্যবস্থা।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁর সরকার অতিথিদের সব রকম খেয়াল রাখছে। তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা, যাতায়াত সব দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পাশাপাশি আমেরিকার অভিবাসন নীতি ও সুরক্ষার দিকটিও মাথায় রাখা হচ্ছে। বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচের সিংহ ভাগ হবে আমেরিকায়। যাতে আমেরিকার নাগরিকদের কোনও সমস্যা না হয়, তার জন্যই এই বন্দোবস্ত বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

আমেরিকার অভিবাসন নীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়াকড়ি নিয়েও মুখ খুলেছেন মানবিক অধিকারের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু সংস্থা। তাঁদের অভিযোগ, নিরাপত্তার নামে জোরাজুরি করছে প্রশাসন। এমন ভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে, যেন কোনও জঙ্গি ঢুকে পড়েছে। শুধু দর্শক নন, খেলোয়াড়দের সঙ্গেও এই রকম ব্যবহার করা হচ্ছে।

football

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইরানের জাতীয় দলের শিবিরের স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। অ্যারিজ়োনা থেকে তা মেক্সিকোয় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইরানের অভিযোগ, তাদের বেশ কিছু কর্তাকে ভিসা দেওয়া হয়নি। সোমালির রেফারি ওমার আর্টনকে আমেরিকায় ঢুকতে দেওযা হয়নি। তিনি এই বছর আফ্রিকার সেরা রেফারি নির্বাচিত হয়েছেন। সূত্রের খবর, আফ্রিকার কিছু জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে ওমারের যোগ রয়েছে, এই সন্দেহে তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ফলে বিতর্ক বাড়ছে। প্রশ্ন বাড়ছে। অভিযোগ বাড়ছে। ট্রাম্প অবশ্য সে সব নিয়ে বেশি মাথা ঘামাচ্ছেন না। পুরোটাই আমেরিকার নিরাপত্তার উপর চাপিয়ে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন