Asian Games

এশিয়ান গেমসে খেলতে চান কুস্তিগিরেরা, তৈরি হওয়ার জন্য হাতে সময় নেই

চিনে এশিয়ান গেমস হওয়ার কথা ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে। ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। চিনের হাংঝৌয়ে এ বারের এশিয়ান গেমস হওয়ার কথা। সেখানে অংশ নিতে চান আন্দোলনকারী কুস্তিগিরেরা।

Advertisement
আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৩ ২১:০৩
Bajrang Punia

বজরং পুনিয়া। —ফাইল চিত্র।

আন্দোলন থেকে সরে আসার পরেই এশিয়ান গেমসে যোগ দেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন কুস্তিগিরেরা। ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই আন্দোলন থেকে সাময়িক বিরতি নেন কুস্তিগিরেরা। এই মাসের শেষে ট্রায়াল হবে। তাতে অংশ নেবেন কুস্তিগিরেরা। কিন্তু প্রস্তুতির জন্য হাতে যথেষ্ট সময় নেই।

কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বৃহস্পতিবার জানান, ১৫ জুলাইয়ের আগে সব ক্রীড়া সংস্থা এশিয়ান গেমসের দল ঠিক করবে। চিনে এশিয়ান গেমস হওয়ার কথা ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে। ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। চিনের হাংঝৌয়ে এ বারের এশিয়ান গেমস হওয়ার কথা। কুস্তি সংস্থার যাবতীয় কাজ এখন দেখাশোনা করছেন ভুপিন্দর সিংহ বাজওয়া এবং সুমা শিরুর। জুন মাসের শেষে দল নির্বাচন করবেন তাঁরাই।

Advertisement

কুস্তিগিরেরা যদিও আরও একটু বেশি সময় চাইছেন। সাক্ষী মালিকের স্বামী সত্যার্থ কাদিয়ান নিজেও কুস্তিগির। তিনি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, “আমরা ট্রায়ালে অংশ নিতে চাই। সেটার জন্য প্রস্তুতি নিতে অন্তত দেড় মাসের অনুশীলন প্রয়োজন।” অনেক কুস্তিগির গত বছর সেপ্টেম্বরে শেষ বার খেলেছিলেন। কেউ কেউ আরও আগে। অগস্টে কমনওয়েলথ গেমসে অনেকে শেষ বার খেলেছিলেন। আন্দোলন করার জন্য বজরং পুনিয়া, বিনেশ ফোগট আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেও যাননি।

কুস্তি কর্তা ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে যৌননিগ্রহের অভিযোগ করেছিলেন কুস্তিগিরেরা। এফআইআরও করেছিলেন তাঁরা। একটি অভিযোগ ছিল এক নাবালিকা কুস্তিগিরের বাবার। বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে মেয়েকে হেনস্থার অভিযোগ করেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি। বুধবার নিজেই জানিয়েছিলেন অভিযোগ পরিবর্তনের কথা। তিনি বলেছেন, ‘‘ব্রিজভূষণ আমার মেয়ের সঙ্গে অসঙ্গত আচরণ করেননি। যৌন নিগ্রহের কোনও ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু আমার মেয়ে বৈষম্যের শিকার হয়েছে। তাতে ফেডারেশনের উপর ক্ষোভ তৈরি হয়। গত ৫ জুন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে আমার বক্তব্য পরিবর্তন করেছি।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘এই লড়াইয়ে আমি একা ছিলাম। কয়েক জন কুস্তিগির ছাড়া আমায় কেউ সমর্থন করেননি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে আমার পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। গত ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট করে দিয়েছি, ফেডারেশন সভাপতি কোনও রকম হয়রানি করেননি। তবে বৈষম্যের অভিযোগ থেকে সরছি না আমি।’’

Advertisement
আরও পড়ুন