—প্রতীকী চিত্র।
আড়াই দশক পর গদিচ্যুত স্যামসাং! বাজারমূল্যের নিরিখে দক্ষিণ কোরীয় বহুজাতিক সংস্থাটিকে ছাপিয়ে গিয়েছে সেখানকারই একটি সংস্থা। নাম, এসকে হাইনিক্স। সেমিকন্ডাক্টর ও মেমোরি চিপের বাজারকে দখল করে ফেলেছে তারা। ফলে আগামী দিনে তাদের আর্থিক বৃদ্ধির সূচক আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে বলেই মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল।
বিশ্লেষকদের দাবি, কৃত্রিম মেধার বাড়বাড়ন্তের জেরে দুনিয়া জুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সেমিকন্ডাক্টর ও মেমোরি চিপের চাহিদা। আর তাই এগুলি সরবরাহের বিপুল বরাত পেয়েছে এসকে হাইনিক্স। বর্তমানে ডায়নামিক-র্যাম ও ফ্ল্যাশ মেমোরি উৎপাদনে বিশ্বের এক নম্বর স্থানে আছে তারা। বরাত বেশি পাওয়ায় জন্যই বাজারমূল্যের নিরিখে স্যামসাংকে ছাপিয়ে গিয়েছে এসকে হাইনিক্স।
অন্য দিকে কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তির জন্য চিপ সঙ্কট তৈরি হওয়ায় দ্রুত গতিতে বাড়ছে স্মার্টফোনের দাম। সেই আঁচ লেগেছে ভারতের বাজারেও। এখানে অন্তত ৫০ শতাংশ মহার্ঘ্য হয়েছে মুঠোবন্দি ডিভাইস। এই পরিস্থিতিতে আমজনতাকে স্বস্তি দিতে ‘বাজেট-বান্ধব’ স্মার্টফোনের সিরিজ় আনছে ওয়ান প্লাস।
চিনা সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি বছরের ৩০ জুন বাজারে মেগা এন্ট্রি নেবে তাদের নতুন স্মার্টফোন সিরিজ়, যার পোশাকি নাম ওয়ান প্লাস এন। সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট মুঠোবন্দি ডিভাইসগুলিতে থাকবে অতিশক্তিশালী ব্যাটারি। অর্থাৎ ৮,০০০ মেগা হার্ৎজ়ের ব্যাটারি পাবেন গ্রাহক। এ ছাড়া ফোনগুলির পিঠের দিকে দু’টি এবং সামনে থাকছে একটি ৫০ মেগাপিক্সলের ক্যামেরা।
ওয়ান প্লাস এন সিরিজ়ে ১৪৪ হার্ৎজ় রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে পাবেন গ্রাহক। সংশ্লিষ্ট মুঠোবন্দি ডিভাইসের সঙ্গে ওয়ান প্লাস নড সিই-৬ মডেলের বেশ মিল খুঁজে পাচ্ছেন টেক বিশ্লেষকদের একাংশ। যদিও দু’টি ফোনের দামের মধ্যে রয়েছে আকাশপাতাল পার্থক্য। নতুন সিরিজ়ের ফোনগুলি ২০ হাজার টাকার কমে মিলবে বলে জানিয়েছে নির্মাণকারী চিনা সংস্থা।
আর এখানেই প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, এত কম টাকায় কী ভাবে দুর্দান্ত স্মার্টফোন বাজারে আনছে ওয়ান প্লাস? তাঁদের অনুমান, নতুন সিরিজ়ে কোথাও না কোথাও গুণগত মানে খরচ কমিয়েছে চিনা সংস্থা। ৩০ জুনের পর সেটা যে পরিষ্কার হবে, তা বলাই বাহুল্য।