—প্রতীকী ছবি।
অ্যান্ড্রয়েড না কি আইফোন, মুঠোবন্দি ডিভাইসের দুনিয়ায় কোনটা সেরা? দীর্ঘ দিন ধরেই চলছে এই বিতর্ক। গ্যাজেট বিশ্লেষকদের অবশ্য দাবি, বহু চেষ্টা সত্ত্বেও মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপ্লের তৈরি আইফোনকে এখনও টেক্কা দেওয়ার জায়গায় পৌঁছোতে পারেনি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন। কোন কোন ক্ষেত্রে এগিয়ে ওই মুঠোবন্দি ডিভাইস? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, আইফোনের মতো স্পিকার অ্যান্ড্রয়েডে নেই। হেপটিক ফিডব্যাকও অ্যাপ্লের ফোনটির বেশি ভাল। এ ছাড়া অবশ্যই বলতে হবে ভিডিয়ো রেকর্ডিংয়ের কথা। সেখানে আইফোন অপ্রতিরোধ্য। মার্কিন টেক জায়ান্টটির একটি নিজস্ব বাস্তুতন্ত্র রয়েছে, যাকে এখনও টপকাতে পারেনি কোনও স্মার্টফোন সংস্থা।
আইফোনের সঙ্গে ব্যবহৃত আনুষঙ্গিক গ্যাজেটগুলি বেশ দামি। তবে যত ধরনের আনুষঙ্গিক গ্যাজেট অ্যাপ্ল তৈরি করেছে, কোনও স্মার্টফোন সংস্থা এখনও তার ধারেকাছে নেই। মার্কিন টেক জায়ান্ট নির্মিত মুঠোবন্দি ডিভাইসটিতে থাকে ম্যাগসেফ চার্জার। এটা প্রায় কোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনে দেখতে পাওয়া যায় না বললেই চলে।
সফ্টঅয়্যার সাপোর্টের নিরিখেও এগিয়ে আছে আইফোন। বর্তমানে ৬-৭ বছর পর্যন্ত আপডেট দিচ্ছে অধিকাংশ স্মার্টফোন সংস্থা। কিন্তু, সম্প্রতি ফাইভ-এস মডেলটিতে ১৩ বছর পর সফ্টঅয়্যার আপডেট দিয়ে গ্রাহকদের চমকে দিয়েছে অ্যাপ্ল।
আইফোন ব্যবহারকারীরা পেয়ে থাকেন লিক্যুইড গ্লাসের অনুভূতি। এই প্রযুক্তি নকল করার চেষ্টা করছে একাধিক স্মার্টফোন সংস্থা। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মুঠোবন্দি ডিভাইসটিতে মেলে অ্যাপ্ল কেয়ার প্লাসের সাপোর্ট। সংশ্লিষ্ট পরিষেবাটি ভারতে দুর্দান্ত কাজ করছে এমনটা নয়। তবে প্রথম বিশ্বের দেশগুলিতে এর বেশ সুনাম রয়েছে।