viral video

২৪ বছর পর মাকে ফিরে পেলেন তরুণী, বিদেশে বসে ভিডিয়ো কলে প্রথম বার মুখোমুখি হয়ে কী করলেন মেয়ে? ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

প্রায় আড়াই দশক পর সারা নামের তরুণী ভিডিয়ো কলে তাঁর জন্মদাত্রী মাকে দেখেছেন। সেই মুহূর্তের দৃশ্যটি প্রকাশ্যে এসেছে। মাকে এক ঝলক দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে যান সারা। তাঁর চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ১৬:২২

ছবি: সংগৃহীত।

২৪ বছর পর মা-মেয়ের মিলন। তাও আবার পর্দার এপার-ওপারে। মেয়ে সুদূর আমেরিকায় আর মা ভিয়েতনামে। একে অপরকে দেখে মনে হল যেন সময় থমকে গিয়েছে। মেয়েকে দেখে চোখের জল আটকে রাখতে পারেননি মা। আবার দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশক পর জন্মদাত্রীকে দেখে হাপুস নয়নে কাঁদতে শুরু করলেন মেয়ে। দীর্ঘ বিচ্ছেদের পরে সন্তানের সঙ্গে পুনর্মিলনের দৃশ্যটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

কথায় আছে, রক্তের সম্পর্ক নিজের পথ নিজেই খুঁজে নেয়। সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় আড়াই দশক পর সারা নামের তরুণী ভিডিয়ো কলে তাঁর জন্মদাত্রী মাকে দেখেছেন। সেই মুহূর্তের দৃশ্যটি প্রকাশ্যে এসেছে। মাকে একঝলক দেখেই বাক্‌রুদ্ধ হয়ে যান সারা। তাঁর চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। ২৪ বছরের অপেক্ষা, মনের মধ্যে হাজারো প্রশ্ন, আর এক অপূর্ণ পরিচয়। সব কিছু যেন ওই একটি কাঁপাকাঁপা ‘হ্যালো’ শব্দেই ফুটে উঠেছিল। সারার মা ভিয়েতনামী ভাষায় উত্তর দিচ্ছিলেন। আর সারা ইংরেজিতে। সারার মায়ের কাছে থাকা ব্যক্তি অনুবাদ করে সারাকে বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। সম্ভবত তিনিই মা-মেয়ের মিলনের যোগসূত্র।

ভিয়েতনামের অলিগলি থেকে শুরু করে সীমান্ত পেরিয়ে এই অনুসন্ধান সহজ ছিল না। সারার কাছে ছিল কেবল কয়েকটি পুরনো ছবি, অস্পষ্ট স্মৃতি আর তাঁর মায়ের মুখ। অবশেষে যখন সেই সন্ধান সম্পূর্ণ হল, সারা বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে তিনি সত্যিই তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলছেন। পর্দায় তাঁর মায়ের মুখ ভেসে ওঠামাত্র সারা দু’হাতের পাতায় মুখ ঢাকেন। কাঁদতে শুরু করেন তিনি। তাঁর মায়ের অবস্থাও তথৈবচ। তাঁর অভিব্যক্তিতে দীর্ঘ কয়েক বছরের যন্ত্রণা ফুটে উঠেছিল। কী ভাবে মা-মেয়ের বিচ্ছেদ ঘটেছিল সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি ভিডিয়োয়।

ভিডিয়োটি ‘কাইলি ডট নেট’ ও সারার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হওয়ার পর লক্ষ লক্ষ নেটাগরিকের মন জয় করে নিয়েছে। ৪ লক্ষ ৬৭ হাজার লাইক জমা পড়েছে তাতে। প্রচুর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। এক জন লিখেছেন, ‘‘নাড়ির টান কি অগ্রাহ্য করা যায়?’’ দ্বিতীয় নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘আমার মাও আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। প্রতি দিনই তাঁর অভাব বোধ করি।’’

Advertisement
আরও পড়ুন