Viral Video

৩২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপের নীচে তরুণী ও তাঁর ১৯ দিনের নবজাতক! জীবিত অবস্থায় ‘অলৌকিক’ উদ্ধারের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা ১৮ দিন বয়সি একটি শিশুকে ঘিরে ধরেছেন, যার পরনে শুধু একটি ডায়াপার এবং গায়ে একটি ডোরাকাটা কম্বল জড়ানো। ভেনিজুয়েলার উপকূলীয় অঞ্চল লা গুয়াইরায় ধ্বংসস্তূপের নীচে ৩২ ঘণ্টা কাটানোর পর তাকে এবং তার মাকে উদ্ধার করা হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ ১৬:৩১

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

ভূমিকম্পবিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার একটি বহুতলের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হল ১৯ দিনের সদ্যোজাতকে। সঙ্গে ছিল নবজাতকের মা-ও। ভূমিকম্পের ৩২ ঘণ্টা পর দু’জনকেই জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন কর্মীরা। মা ও সন্তানকে উদ্ধার করার ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা ১৮ দিন বয়সি একটি শিশুকে ঘিরে ধরেছেন, যার পরনে শুধু একটি ডায়াপার এবং গায়ে একটি ডোরাকাটা কম্বল জড়ানো। ভেনিজুয়েলার উপকূলীয় অঞ্চল লা গুয়াইরায় ধ্বংসস্তূপের নীচে ৩২ ঘণ্টা কাটানোর পর তাকে এবং তার মাকে উদ্ধার করা হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, হুয়ান ডেভিড নামের শিশুটি মায়ের সঙ্গে ভবনে কংক্রিটের চাঙড়ের নীচে চাপা পড়েছিল। তার মা ডায়নাও সেখানে আটকে থাকেন।

বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডায়ানা জানান, আটকে পড়ার সময় তাঁর সদ্যোজাত পুত্র হুয়ানই তাঁকে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শক্তি জুগিয়েছিল। তিনি বলেন, “ভেবেছিলাম যত ক্ষণ ও বেঁচে থাকবে, আমিও বেঁচে থাকব। ও যে শ্বাস নিচ্ছে, তা নিশ্চিত হতে আমি মাঝে মাঝেই ওর নাকে হাত দিচ্ছিলাম।” ভূমিকম্পের পরের সেই ভয়াবহ মুহূর্তগুলির কথা স্মরণ করেছেন ডায়ানা। তিনি জানান, ভূমিকম্পটি যখন আঘাত হানে, তখন তিনি তাঁর আটতলার অ্যাপার্টমেন্টে বাসনপত্র ধোয়ার কাজ সারছিলেন। সামান্য কম্পন অনুভব করেই সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শিশুটিকে কোলে তুলে নেন। তার কিছু ক্ষণ পরেই বহুতল ভবনটি ধসে পড়ে।

মাথার ওপর কংক্রিটের চাঙড়, চারিদিকে শুধু ধ্বংসস্তূপ। প্রথমে ডায়ানা সাহায্যের জন্য চিৎকার করেছিলেন, কিন্তু শীঘ্রই বুঝতে পারেন যে কেউ তাঁর কথা শুনতে পাচ্ছে না। ডায়ানা জানান, তার বাম পা একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নীচে চাপা পড়েছিল এবং মাথাটি একটি পাথরের মধ্যে চেপে গিয়েছিল। ফলে নড়াচড়া করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ডায়নার স্বামী গার্সন সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন , স্ত্রী ও ছেলের জীবিত থাকাটা তাঁর কাছে অলৌকিক মনে হয়েছে। তিনি বিবিসিকে বলেন, “যখন আমি আমার ছেলেকে দেখলাম, আমার মনে হল যেন আমি নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি।’’

Advertisement
আরও পড়ুন