viral video

হোলিকা দহনের ২০ ফুট উঁচু অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে দিয়ে হেঁটে অক্ষত অবস্থায় ফিরলেন ‘প্রহ্লাদ’! শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যের ভিডিয়ো ভাইরাল

প্রতি বছর হোলিকা দহনের ঠিক আগে অনুষ্ঠিত মথুরার একটি গ্রামে এই অনুষ্ঠানটিতে ভক্ত প্রহ্লাদের অটল ভক্তিকে ফুটিয়ে তোলা হয়। ‘ভক্ত প্রহ্লাদ’ চরিত্রে অভিনয় করা এক ব্যক্তি সরাসরি জ্বলন্ত হোলিকা দহনের আগুনের মধ্যে হেঁটে যান।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩১

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

২০ ফুট লম্বা। প্রস্থে ৩০ ফুট। হোলিকা দহনের অগ্নিকুণ্ড। সেই জ্বলন্ত আগুনের মধ্যে ছুটে গেলেন এক তরুণ। রঙের উৎসবের ঠিক আগে মথুরার একটি প্রাচীন আচার দেশ জুড়ে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। উত্তরপ্রদেশের মথুরার ফালেন গ্রামে শতাব্দীপ্রাচীন এক ঐতিহ্য পালন করা হয়। এক ব্যক্তি সরাসরি হোলিকা দহনের আগুনের উপর দিয়ে হেঁটে যান। আকর্ষণীয় ঘটনার সেই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই তা নজর কেড়েছে। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, দাউ দাউ করে জ্বলা আগুনের মধ্যে প্রবেশ করছেন এক তরুণ। জ্বলন্ত কুণ্ডের উপর দিয়ে হেঁটে চলেছেন তিনি। প্রতি বছর হোলিকা দহনের ঠিক আগে অনুষ্ঠিত এই আচারটিতে ভক্ত প্রহ্লাদের অটল ভক্তিকে ফুটিয়ে তোলা হয়। ‘ভক্ত প্রহ্লাদ’ চরিত্রে অভিনয় করা এক ব্যক্তি সরাসরি হোলিকা দহনের আগুনের মধ্যে হেঁটে যান। গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, আগুনের গোলার মধ্যে দিয়ে হেঁটে গেলেও অনুষ্ঠানে প্রহ্লাদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া ব্যক্তির শরীর অক্ষত থাকে। একটি চুলও নাকি পোড়ে না। প্রহ্লাদের ভূমিকা পালন করার জন্য যাঁকে বেছে নেওয়া হয়, তিনি ৪৫ দিন ধরে কঠোর জীবন পালন করেন। পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্থানীয় মন্দিরে বসবাস করেন। উপবাসের সময় দিনে এক বার মাত্র ফল খান। এক বার তালুতে যতটুকু জল ধরে, ততটুকুই পান করেন। গ্রামের বাইরে যান না। ভূমিশয্যায় ঘুমোন। কঠোর ব্রহ্মচর্য পালন করে থাকেন দেড় মাস।

সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হোলিকা দহনের দিন, কুণ্ডে স্নান করে সোজা আগুনের মধ্যে প্রবেশ করেন ‘প্রহ্লাদ’। ৩০ থেকে ৩৫ বার পা ফেলে আগুনে হেঁটে সেখান থেকে সুস্থ ও অক্ষত শরীরে বেরিয়ে আসেন। গ্রামবাসীদের দাবি, হোলিকা দহনের আগুন এত তীব্র হয় যে কাছাকাছি কেউ দাঁড়াতেও পারেন না। সেই আগুনে হাঁটাচলার পর কী ভাবে ওই ব্যক্তি সুস্থ শরীরে বেরিয়ে আসেন তা নিয়ে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে জনমানসে। এই উৎসবটি দেখার জন্য প্রতি বছর অন্তত ৫০ হাজার দর্শক জড়ো হন ফালেন গ্রামে। এই অনুষ্ঠানের ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসতেই তা হইচই ফেলে দিয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন