ISRO scientist

দোসা খেতে খেতে রেস্তরাঁ ম্যানেজারের সঙ্গে আলাপ জমালেন নেটপ্রভাবী, হতবাক হয়ে গেলেন পরিচয় জানতে পেরে!

রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে কৌতূহলবশত এক কর্মীর সঙ্গে কথাবার্তা চালাতে শুরু করেন বিষয়স্রষ্টা তরুণ। কথায় কথায় উঠে আসে রেস্তরাঁর কর্মী অর্থাৎ ম্যানেজারের পূর্ব পেশাজীবনের প্রসঙ্গ। তা শুনে হতবাক হয়ে যান ভিডিয়ো করতে থাকা তরুণ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৫
brief conversation at a restaurant manager reveals that he is an Ex-ISRO scientist

ছবি: সংগৃহীত।

রেস্তরাঁয় দোসা খেতে গিয়েছিলেন বিষয়স্রষ্টা ও নেটপ্রভাবী তরুণ। টেবিলের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন ধোপদুরস্ত পোশাক পরা রেস্তরাঁর ম্যানেজার। তাঁর সঙ্গে সাধারণ কথোপকথন শুরু করার কিছু ক্ষণ পরই তা অপ্রত্যাশিত মোড় নেয়। রেস্তরাঁর মৃদুভাষী ম্যানেজারের পরিচয় জানতে পেরে চমকে ওঠেন বিষয়স্রষ্টা। সেই কথোপকথনের দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করে সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেন ওই তরুণ। রেস্তরাঁকর্মীর পরিচয় জানতে পেরে হতবাক নেটপাড়াও। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়ো। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভিডিয়োর শুরুতে দেখা গিয়েছে, সাদা জামা ও কালো প্যান্ট পরা এক তরুণ কর্মী রেস্তরাঁর তদারকি করছেন। বিষয়স্রষ্টা তরুণ তাঁর কাছে জানতে চান, তিনি রেস্তরাঁয় কত দিন কাজ করছেন? উত্তরে কর্মী জানান মাস তিনেক। এই ধরনের সাধারণ আলাপচারিতা শুরু হতে হতেই রেস্তরাঁর ম্যানেজার জানান, তিনি এখানে কাজ করার আগে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বা ইসরোর ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। এক-আধ বছর নয়, দীর্ঘ ১৬ বছর তিনি ওই সংস্থার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

কথোপকথনের সময় উঠে এসেছে, তীব্র চাপের কারণে মহাকাশ সংস্থা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওই তরুণ। উপগ্রহের যন্ত্রাংশগুলিকে জোড়া দেওয়ার সময় নিখুঁত হওয়া প্রয়োজন। সেখানে সামান্যতম ভুলও গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। ইসরো থেকে পদত্যাগ করার পর, তিনি স্বেচ্ছায় রেস্তরাঁর ব্যবস্থাপকের শান্ত, সরল জীবন বেছে নিয়েছেন। ক্রমাগত চাপ থেকে মুক্তি এবং শান্তি পেতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। এ-ও জানান যে, বর্তমান ভূমিকায় তিনি সন্তুষ্ট। জীবনে কোনও চাপ নেই। নিজেকে অনেকটাই হালকা মনে হয়। ইসরো ছাড়ার পর এক বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর নামের বানানে ছোট্ট ভুলের কারণে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়।

ভিডিয়োটি ‘গাইউইথমেটাগ্লাসেস’ নামে নিজের ইনস্টাগ্রামের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করেছেন বিষয়স্রষ্টা। ভিডিয়োটি দেখে এক লক্ষেরও বেশি লাইক দিয়েছেন নেটাগরিকেরা। অনেকেই বলেছেন, উঁচু পদের চাকরি বা বেতনের লোভ নয়, কেউ কেউ মানসিক শান্তিকে বেশি গুরুত্ব দেন। ইনি সেই দলের। মন্তব্য বিভাগে বিষয়স্রষ্টা একটি বিষয় স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, রেস্তরাঁয় আলাপ হওয়া ওই ম্যানেজার ইসরোর সম্পর্কে কোনও বিরূপ মন্তব্য করেননি। প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কোনও নেতিবাচক কথা বলেননি। তিনি কেবল নিজের কাজের প্রকৃতি কেমন ছিল তা বর্ণনা করেছিলেন। কখনও তিনি দাবি করেননি যে, তাঁর চাকরিটি কম বেতনের ছিল বা প্রতিষ্ঠানের কোনও দোষ ছিল।

Advertisement
আরও পড়ুন