ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
পরিবার নিয়ে ট্রেনে উঠেছেন তরুণ। এসি কোচে টিকিট কাটা। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মোট ছ’জন রয়েছেন তাঁরা। কিন্তু ট্রেনে ওঠার কিছু ক্ষণ পর থেকেই শুরু হল উপদ্রব। বড় বড় আরশোলা আর ইঁদুর ঘোরাফেরা করতে শুরু করল তাঁদের আসনের চারদিকে। কখনও তা খাবারের টিফিন কৌটোয় উঠে পড়ছে, কখনও আবার হাতে-পায়ে চলে বেড়াচ্ছে। বিব্রত হয়ে রেলকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁদের দায়সারা ভাব দেখে রেগে যান তরুণ। তখনই পুরো ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করে সেই ভিডিয়োটি (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম) সমাজমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করেন।
‘দ্য নালন্দা ইনডেস্ক’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, ট্রেনের এসি কোচে উঠে নিজেদের আসনে বসে রয়েছেন যাত্রীরা। এক তরুণ যাত্রী সেই কোচের দুরবস্থার ভিডিয়ো তুলে দেখাচ্ছেন।
ঘটনাটি কবে ঘটেছে তা জানা না গেলেও তরুণের দাবি, বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসে পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন তিনি। বারাণসী থেকে ঝাঁসি যাচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু আরশোলা এবং ইঁদুরের উপদ্রবে নাজেহাল হয়ে গিয়েছেন সকলে। শান্তিতে খাওয়াদাওয়াও করতে পারছেন না তাঁরা।
তরুণের অভিযোগ, টিফিনবাক্সের ভিতর উঠে পড়ছে আরশোলা। কোচের ভিতর ঘুরে বেড়াচ্ছে ইঁদুরও। এমনকি, বড় শুঁড়ওলা আরশোলা যে কোচের ভিতর বাসা বেঁধেছে, প্রমাণস্বরূপ তা-ও দেখালেন তরুণ। কোচের ভিতর লেখা অধিকাংশ হেল্পলাইন নম্বরগুলিতে ফোন করে ব্যস্ত পেয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত একটি নম্বরে ফোন লাগলে ও পার থেকে বিরক্তির সুর ভেসে আসে বলে তরুণের অভিযোগ।
কোচের ভিতর বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে বলে দাবি তরুণের। শেষ পর্যন্ত তরুণের বার বার নালিশ জানানোর ফলে রেলকর্মীরা সেই কোচে হাজির হন এবং ওষুধ ছড়িয়ে সেখান থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। রেলকর্মীদের এমন দায়সারা আচরণ দেখে আরও রেগে যান তরুণ। সমাজমাধ্যমের পাতায় এই ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটপাড়ার অধিকাংশ। রেলের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।