ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
বাড়ি থেকে বসে কাজ করতেন তরুণ। দিনে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা কাজ। এআই স্টার্ট আপে কাজ করে বছরে ৪০ লক্ষ টাকা রোজগার ছিল তাঁর। বাড়ি থেকে এক পা-ও না বেরিয়ে শুধুমাত্র ল্যাপটপের সামনে সামান্য সময় কাজ করে মোটা টাকা রোজগার যে সম্ভব তা কিছুতেই মানতে পারেননি তরুণের পরিবারের সদস্যেরা। মাসের শেষে আকর্ষণীয় বেতন পেলেও ছেলের কাজে সন্দেহ প্রকাশ করতে শুরু করেন তাঁরা। অদ্ভুত সেই ঘটনার কথা সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এনেছেন তরুণের এক আত্মীয়। সম্প্রতি রোহন ধবন নামের দিল্লির এক ব্যবসায়ী, তাঁর ২৪ বছর বয়সি ভাগ্নের ঘটনাটি শেয়ার করেছেন এক্স হ্যান্ডলে। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
রোহনের পোস্টটিতে লেখা ছিল, “গত সপ্তাহে আমার ভাগ্নের সঙ্গে দেখা হল। বয়স ২৪ বছর। বার্ষিক আয় ৪০ লক্ষ টাকা। একটি এআই স্টার্টআপে রিমোট ডেভেলপার হিসাবে কাজ করে। অসাধারণ ছেলে, এত কিছুর পরও তাঁর বাবা-মাকে চিন্তিত দেখাচ্ছিল।” কারণ তরুণ পেশাদার দিনে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা কাজ করে থাকেন। এতেই তাঁর বাবা-মা বিভ্রান্ত এবং এমনকি ছেলের চাকরি নিয়েও সন্দিহান হয়ে পড়েছেন তাঁরা। এমনকি তাঁর বাবা-মা রোহনের কাছে জানান, তাঁদের ছেলে কোনও কাজ করে না। মাত্র ২-৩ ঘণ্টা ল্যাপটপ খুলে বসে। তার পর বন্ধ করে দেয়। ছেলে বেআইনি কিছুর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশও করেন তাঁরা।
এই ঘটনা দেখে রোহনের উপলব্ধি তরুণ যদি টিসিএস বা ইনফোসিসের মতো সংস্থায় অর্ধেক বেতনেও দিনে ১২ ঘণ্টা খেটে কাজ করত, তা হলে বাবা-মা গর্বিত হতেন। তাঁর ভাগ্নে মাত্র ২৪ বছর বয়সে দ্বিগুণ বয়সি পেশাদারের চেয়েও বেশি আয় করে, অথচ পরিবারের চিন্তা হল তিনি কাজের জন্য যথেষ্ট পরিমাণে সময় ব্যয় করছেন না। রোহনের বক্তব্য বর্তমানে আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ৮ ঘণ্টার কাজকে ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে সঙ্কুচিত করে তুলছে। সঠিক সরঞ্জাম হাতে থাকলে কৃত্রিম মেধার যুগে এক জন দক্ষ ডেভেলপার দিনে ১২ ঘণ্টা না খেটেও কয়েক লক্ষ টাকা রোজগার করতে পারেন।