—প্রতীকী ছবি।
বিদেশের এক নামী প্রযুক্তি সংস্থায় চাকরি করেন তরুণী। বছরশেষে ছুটি নিয়ে ভারতে ফিরবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। অফিসের ঊর্ধ্বতনের কাছে দেড় মাস আগে থেকে ছুটির আবেদনও জানিয়েছিলেন তরুণী। কিন্তু ছুটির দিন এগিয়ে এলে তা খারিজ করে দেন তরুণীর বস্। তা নিয়ে তরুণীর সঙ্গে তর্কও জুড়ে দেন তিনি। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘রোশনি চেল্লানি’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে লিঙ্কডইনের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়েছে। দেড় মাস আগে থেকে অফিসে ছুটির আবেদন জানিয়েও লাভ হয়নি এক তরুণীর। ছুটির দিন এগিয়ে আসতেই সেই ছুটি খারিজ করে দেন তরুণীর বস্। তরুণী বিদেশের এক প্রযুক্তি সংস্থায় চাকরি করেন। বছরশেষে লম্বা ছুটি নিয়ে ভারতে আসার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। পরে ছুটি পেতে সমস্যা হতে পারে ভেবে দেড় মাস আগে থেকেই ঊর্ধ্বতনের কাছে আবেদন জানান তরুণী।
দেড় লক্ষ টাকা খরচ করে বিমানের টিকিটও কেটে ফেলেন তিনি। কিন্তু বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার মুহূর্তে ছুটির আবেদন খারিজ করে দেন তরুণীর বস্। তরুণীকে তিনি জানান, অফিসের অন্য সহকর্মীরা একই সময়ে ছুটি নিয়েছেন। কাজের চাপও রয়েছে বলে দাবি করেন ঊর্ধ্বতন। তরুণী যে দেড় লক্ষ টাকা খরচ করে বিমানের টিকিট কেটে ফেলেছেন তা বস্কে জানান। সব শুনে নরম সুরে ঊর্ধ্বতন তরুণীকে ছুটি বাতিল করে দেওয়ার অনুরোধ করেন। না হলে তরুণীকে অবৈতনিক ছুটি নেওয়ার শর্ত দেন ঊর্ধ্বতন। তরুণী ছুটি নিয়ে বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।
কিন্তু নিরুপায় হয়ে ঊর্ধ্বতনের শর্তে রাজি হতে হয় তাঁকে। ছুটির দিনগুলি বেতনের খাতা থেকে কাটা যাবে তরুণীর। বসের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তরুণী জানান যে, ছুটি বাতিল করে বিমানের খরচবাবদ দেড় লক্ষ টাকার ক্ষতি হত তাঁর। অন্য দিকে, হকের ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন বলে অর্ধেক মাসের বেতন পাবেন না তিনি। তরুণীর এই পরিস্থিতি দেখে এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘হকের ছুটি বলে কিছু হয় না। সব কিছু ঊর্ধ্বতনের মানসিকতার উপর নির্ভর করে। যতই নামী সংস্থায় কাজ করুন না কেন, বস্ ভাল না হলে আপনার কর্মজীবন নাজেহাল হয়ে যাবে। আবার বস্ ভাল হলে মনের সুখে কাজ করতে পারবেন।’’