Madhya Pradesh

মাটি খুঁড়তেই যকের ধন! প্রথম বার ৯৩ লক্ষ, দ্বিতীয় বারে ৩০ লাখি হিরের সন্ধান পেল আদিবাসী পরিবার

হিরের শহর নামে পরিচিত বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের পান্না। বহু খননকারীই বছরের পর বছর চেষ্টা করে মাটি তোলপাড় করে হিরের সন্ধান চালান এখানে। বহু মানুষের ভাগ্য রাতারাতি বদলে দিয়েছে হিরের খনিগুলি। তেমনই এক ভাগ্যবান পরিবার হল রাকেশ আদিবাসী পরিবার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬ ১৫:৫৩

ছবি :এআই সহায়তায় তৈরি।

প্রথম বার মিলেছিল প্রায় এক কোটি টাকার সম্পদ। দ্বিতীয় বারও ভাগ্য সহায় হয়েছে এক আদিবাসী পরিবারের। মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলায় খনি থেকে আবারও একটি মূল্যবান হিরের খণ্ড খুঁজে পেলেন পরিবারের সদস্যেরা। যেখানে সারা জীবন মাটি খুঁড়ে বছরের পর বছর সন্ধান চালিয়েও অনেকে ব্যর্থ হন, সেখানে দু’বার বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন পান্না জেলার একটি আদিবাসী কৃষক পরিবার।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সম্প্রতি রাকেশ আদিবাসী নামের এক তরুণ ও তাঁর পরিবার ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১১.১৯ ক্যারেটের একটি হিরে খুঁজে পেয়েছেন। সোমবার পান্না জেলার আহিরগাঁও এলাকার একটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন খনি থেকে সন্ধান মিলেছে রত্নটির। ২০২৪ সালে সরকারি নিলামে ৯৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি হওয়া ১৯.২২ ক্যারেটের একটি হিরে খুঁজে পাওয়ার পর এই বছরও পরিবারটি আবার সৌভাগ্যের মুখ দেখেছে।

মধ্যপ্রদেশের পান্না হিরের খনির জন্য বিখ্যাত। বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের এই এলাকা হিরের শহর নামে পরিচিত। বহু খননকারী বছরের পর বছর চেষ্টা করে মাটি তোলপাড় করে হিরের সন্ধান চালান এখানে। বহু মানুষের ভাগ্য রাতারাতি বদলে দিয়েছে হিরের খনিগুলি। তেমনই এক ভাগ্যবান পরিবার হল রাকেশের পরিবার। রাকেশ, তিন ভাই ও তাঁদের কয়েক জন আত্মীয় এপ্রিল মাসে আহিরগাঁও এলাকায় একটি জমি ইজারা নিয়ে খনিটি স্থাপন করেছিলেন। দুই মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রমের পর পরিবারটি সোমবার আহিরগাঁও এলাকার জমির একটি খনি থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের হিরের খোঁজ পান।

পান্নার ডায়মন্ড ইনস্পেক্টর নূতন জৈন সংবাদমাধ্যমে জানান, হিরেটির ওজন ১১.১৯ ক্যারেট এবং এটি গুণমানও বেশ উৎকৃষ্ট। আসন্ন সরকারি নিলামে মূল্যবান হিরেটি নিলামে চড়ানো হবে। রয়্যালটি কাটার পর পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করা হবে। রাকেশের ভাই রাজু জানান, তাঁদের পরিবার দীর্ঘ দিন ধরে খনিতে কঠোর পরিশ্রম করে আসছে। দু’বছর আগে পাওয়া ৯৩ লক্ষ টাকা পরিবারের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল করলেও তাঁরা পরিশ্রম থামিয়ে দেননি। নিলামে পাওয়া অর্থ দিয়ে ভবিষ্যতে আরও খনি ইজারা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।

Advertisement
আরও পড়ুন