ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
রোজগারের টানে জন্মদিনে তরুণের বাড়িতে কাজকর্ম সারতে গিয়েছিলেন পরিচারিকা। বাবা-মা দু’জনেই মারা গিয়েছেন তাঁর। তাঁরা বেঁচে থাকলে জন্মদিনটা অন্য রকম কাটাতে পারতেন। রান্নাঘরে কাজ করতে করতে তা ভেবে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। পরিচারিকাকে লুকিয়ে লুকিয়ে কান্নাকাটি করতে দেখে ফেলেন তরুণ। পরিচারিকার কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে ‘সারপ্রাইজ়’ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন তরুণ। সেই সময় তরুণের বাড়িতে কয়েক জন বন্ধুও ছিলেন। সকলে মিলে কেক কেটে পরিচারিকার জন্মদিন পালন করলেন। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘তামাশেওয়ালা’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক পরিচারিকা কেক কেটে তাঁর জন্মদিন পালন করছেন। তাঁর মুখে লেগে রয়েছে হাসি। কিন্তু কিছু ক্ষণ আগেই তিনি কাঁদছিলেন। ভিডিয়োটি পোস্ট করে তরুণ জানান, জন্মদিনে মৃত বাবা-মায়ের কথা মনে করে কান্নাকাটি করছিলেন তাঁর বাড়ির পরিচারিকা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলছিলেন, ‘‘আজ যদি আমার মা বেঁচে থাকত, তা হলে জন্মদিন উপলক্ষে কত কিছুই না করত।’’
পরিচারিকাকে কাঁদতে দেখে ফেলেছিলেন তরুণ। তাই
তাঁকে ‘সারপ্রাইজ়’ দিতে আইসক্রিম কেক অর্ডার করেন। গান গেয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান
পরিচারিকাকে। তরুণ জানান যে, ‘সারপ্রাইজ়’ পেয়ে পরিচারিকা খুবই আনন্দ পেয়েছিলেন।
তরুণ এবং তাঁর বন্ধুবান্ধব যেন নিজেদের পছন্দমতো কিছু কিনে খান, তাই তাঁদের হাতে
৫০০ টাকা দিতেও চেয়েছিলেন। ভিডিয়োটি দেখে এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘এই সব ছোট ছোট
মুহূর্তগুলি দিয়েই জীবন ভরে ওঠে। অন্যের মুখে হাসি ফোটানো সত্যিই খুব প্রয়োজন।’’