Viral Video

‘আমি আগে, না তোমার কাজ?’ পুত্রের প্রশ্নে চমকে গেলেন কর্মরতা মা, ভিডিয়ো দেখে আবেগে ভাসল নেটপাড়া

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক কর্মরতা মা তাঁর কাজের চাপ এবং সন্তানকে সময় দেওয়ার ব্যাপারে নিজের কিছু অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছেন। তাই দেখে নিজের জীবনের সঙ্গে মিল পেয়েছেন বহু কর্মরতা নারীই।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ ১৪:০৮

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

আজকের দিনে পুরুষের সঙ্গে সমানতালে কাজ করে থাকেন মহিলারা। বহু নারীরই সন্তানও রয়েছে। অফিসের কাজ, সংসার সামলানো, সন্তানের দেখভাল, সব মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থা হয় তাঁদের। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেখে নিজের জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পেরেছেন বহু কর্মরতা নারীই।

Advertisement

ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, একটি গাড়ির চালকের আসনে বসে রয়েছেন এক নারী। তাঁর পরনে সাদা পোশাক। ভিডিয়োয় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে যে তিনি কর্মরতা, বিবাহিত এবং ৭ বছরের এক পুত্রসন্তান রয়েছে তাঁর। তিনি সকলের সঙ্গে বিশেষ একটি দিনের কথা ভাগ করে নিয়েছেন। একদিন তাঁর ছেলে স্কুল যাওয়ার আগে তাঁকে বলে যে সন্ধ্যায় সে একটি গ্রিটিং কার্ড বানাতে চায়, কেননা তার এক বন্ধুর জন্মদিন। কাজের চাপে সে দিনই বাড়ি থেকে ফিরতে দেরি হয় ওই মহিলার। এর পর তাঁর ছেলের মুখভার দেখে কারণ জানতে চাইলে সে জিজ্ঞাসা করে, “মা, তোমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কোনটা, আমি না কি কাজ?”

প্রশ্ন শুনে চমকে যান ওই মহিলা। বার বার ছেলেকে বুঝিয়ে বলেন যে সে-ই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেক সময় কাজের চাপে তিনি সময় বার করতে পারেন না। এর পর থেকে ছেলের আচরণে একটি সুন্দর পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তিনি। তিনি জানান, যখনই তাঁর কাজ থেকে ফিরতে দেরি হয়, তাঁর ছেলে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে তিনি ক্লান্ত কি না, জল খাবেন কি না। ওই মায়ের উপলব্ধি, সন্তানও তাঁকে বুঝবে, শুধু তাঁকে ভাল ভাবে বুঝিয়ে বলতে হবে। আর দিনশেষে সে কেবল মায়ের সান্নিধ্যটুকুই চায়।

ইনস্টাগ্রামের ‘জাস্টহারথটস_লাভ’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই আবেগে আপ্লুত হয়েছেন নেটাগরিকেরাও। প্রায় ১৫ হাজারের বেশি নেটাগরিক তাতে ভালবাসার চিহ্ন এঁকে দিয়েছেন। অনেকে শেয়ারও করেছেন। অজস্র মন্তব্যও জমা পড়েছে মন্তব্যবাক্সে। সকলেই ওই নারীর পরিশ্রম, ধৈর্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে ছোট্ট বাচ্চাটিকেও প্রশংসায় ভরিয়েছেন।

Advertisement
আরও পড়ুন