Viral Video

‘আমাকে ছেড়ে দাও, মায়ের কোলে শুয়ে দুধ খাব’, শিক্ষিকার কাছে কাতর আর্তি খুদেদের, ভাইরাল ভিডিয়োয় হাসির রোল

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের জানালার কাছে দাঁড়িয়ে রয়েছে সদ্য স্কুলে ভর্তি হওয়া কয়েক জন খুদে পড়ুয়া। ছোট ছোট আঙুলগুলি দিয়ে জানালার গরাদ ধরে আছে তারা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:২৭
Video shows kids pleading to go back to mother in school

শিক্ষিকার কাছে ছুটির আর্জি খুদেদের। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

স্কুলে ভাল লাগছে না। মায়ের জন্য মনখারাপ করছে। বাড়ি গিয়ে মায়ের কোলে শুয়ে দুধ খেতে চায় তারা। স্কুলশিক্ষিকার কাছে কাঁদতে কাঁদতে তেমনটাই আর্জি জানাল বছর তিন-চারেকের জনা কয়েক খুদে পড়ুয়া। ছেড়ে দেওয়ার কাতর আবেদনও জানাল। মনখারাপ করা তেমনই একটি ঘটনার ভিডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় এবং কবে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের জানালার কাছে দাঁড়িয়ে রয়েছে সদ্য স্কুলে ভর্তি হওয়া কয়েক জন খুদে পড়ুয়া। ছোট ছোট আঙুলগুলি দিয়ে জানালার গরাদ ধরে আছে তারা। সমবেত হয়ে শিক্ষিকার কাছে আর্জি জানাচ্ছে। তাদের ছেড়ে দেওয়ার আবেদনও করছে। শিক্ষিকা তাদের জিজ্ঞাসা করে তারা বাড়ি গিয়ে কী করবে। তখন এক খুদে কাঁদতে কাঁদতে বলে, ‘‘মায়ের জন্য মনখারাপ করছে। মায়ের কোলে শুয়ে দুধ খাব। আমাকে দয়া করে ছেড়ে দাও।’’ অন্য এক জন আবার বলে, ‘‘আমার মাকে ডাকো। আমি মায়ের কাছে যাব।’’ ওই খুদেকেই তার মায়ের নাম জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে, ‘‘আমার মায়ের নাম মা।’’ সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।

ভাইরাল সেই ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘সুরজ কুমার বৌদ্ধ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। হাসির রোল উঠেছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই অনেকে আবার মনখারাপ করেছেন। স্মৃতির সাগরেও ডুব দিয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘আহা রে! খুদেগুলো কী মিষ্টি! কী মিষ্টি করে মায়ের কাছে যেতে চাইছে ওরা। ওদের মায়ের কাছে পাঠানো হোক।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘এত ছোট বয়স থেকে স্কুলে পাঠানোর কী দরকার। ওদের এখন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাড়িতে থাকা দরকার। বাচ্চাগুলোকে দেখে মনখারাপ হয়ে গেল।’’

Advertisement
আরও পড়ুন