Anandapur Fire

আনন্দপুরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১৬! পুলিশের খাতায় নিখোঁজ ২৮, নিহতদের পরিচয় জানতে শুরু হচ্ছে ডিএনএ ম্যাপিং

পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে অন্তত ১৩ জনের দেহ মিলেছে। নিহতদের চিহ্নিত করার জন্য শুরু হতে পারে ডিএনএ ম্যাপিং। নিহতদের সঠিক পরিচয় নির্ধারণে এই প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৩
Death toll in Anandapur incident rises, high security in area

আনন্দপুরের ভস্মীভূত সেই গুদাম। —ফাইল চিত্র।

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৬। যদিও সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ওই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২১ জন। পাশাপাশি, ২৮ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে থানায় ডায়েরি করা হয়েছে। তাঁদের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া দেহাংশ কাদের, সেই পরিচয় নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার ডিএনএ ম্যাপিং শুরু হতে পারে। অন্য দিকে, গোটা এলাকায় জমায়েত রুখতে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

Advertisement

পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে অন্তত ১৩ জনের দেহ মিলেছে। নিহতদের চিহ্নিত করার জন্য শুরু হতে পারে ডিএনএ ম্যাপিং। নিহতদের সঠিক পরিচয় নির্ধারণে এই প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে বুধবার মধ্যরাত থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা (ভারতীয় দণ্ডবিধিতে যা ছিল ১৪৪ ধারা) জারি করা হয়েছে। ফলে এলাকায় জমায়েত ও যাতায়াতের উপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বৃহস্পতিবার সকালে ভস্মীভূত প্লাস্টিক ফুলের গুদামের দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া টিনের শেড উপড়ে ফেলে নিখোঁজদের দেহাংশ খোঁজার কাজ শুরু হয়েছে।

গত রবিবার রবিবার রাত ৩টে নাগাদ আনন্দপুরের দু’টি গুদামে আগুন লেগেছিল। প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর জানা গিয়েছে, আগুন প্রথমে লাগে একটি ডেকরেটার্সের গুদামে। ওই গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে পুলিশ ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে। রবিবার রাতে গঙ্গাধরের ওই গুদামে ছিলেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে কেউ ফুলের কাজ করেন, কেউ আবার সাজানোর কাজে যুক্ত। বিভিন্ন জেলা থেকে তাঁরা কাজে গিয়েছিলেন। কাজ সেরে তাঁদের মধ্যে অনেকেই ঘুমোচ্ছিলেন। কেউ কেউ আবার টুকিটাকি নানা কাজে ব্যস্ত ছিলেন। আগুন লাগার পর কয়েক জন বার হতে পারলেও অনেকেই আটকে পড়েন।

Advertisement
আরও পড়ুন