New Industrial Park

বিধানসভা নির্বাচনের আগে আসানসোলে গড়ে উঠছে নয়া শিল্পতালুক, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে নজর নবান্নের

আসানসোলের ধর্মায় গড়ে উঠছে অত্যাধুনিক শিল্প পার্ক। পশ্চিমবঙ্গ ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগম-এর উদ্যোগে প্রায় ৭ একর জমির উপর এই শিল্পতালুক তৈরি হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০২৫ ১২:৪৩
mamata banerjee

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিল্পোন্নয়নের পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রে বিনিয়োগ আনতে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে আসানসোলের ধর্মায় গড়ে উঠছে অত্যাধুনিক শিল্প পার্ক। পশ্চিমবঙ্গ ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগম-এর উদ্যোগে প্রায় ৭ একর জমির উপর এই শিল্পতালুক তৈরি হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রকল্পটির প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ডিসেম্বর মাসের ১৮ তারিখে রাজ্য সরকারের তরফে এক শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। সেই শিল্প সম্মেলনে এই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প নিগমের অধীনস্থ এই শিল্পতালুকটি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিনিয়োগের জন্য তুলে ধরা হতে পারে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

Advertisement

সরকারি আধিকারিকদের দাবি, শিল্প পার্কটি চালু হলে পশ্চিম বর্ধমানের শিল্প বিনিয়োগ মানচিত্র বদলে যাবে। ছোট থেকে মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, জলের সংযোগ-সহ আধুনিক শিল্প পরিকাঠামো এখানে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি থাকবে সাধারণ পরিষেবা কেন্দ্র, গুদাম এবং উদ্যোক্তা-সহায়ক সেন্টার। নবান্নের এক শীর্ষকর্তার মতে, “এই প্রকল্প শুধু একটি শিল্প পার্ক নয়, এটি পশ্চিম বর্ধমানের ভবিষ্যৎ শিল্পকেন্দ্র হিসেবে উঠে আসবে। বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থানও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বাড়বে।”

ক্ষুদ্র শিল্প দফতরের আধিকারিকদের বক্তব্য, নতুন এই উদ্যোগে রাজ্যে ক্ষুদ্র শিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগের নতুন দরজা খুলবে। পাশাপাশি, পশ্চিম বর্ধমানের স্থানীয় যুবসমাজ কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ পাবে। উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে শিগগিরই জমি বরাদ্দ, প্রকল্প অনুমোদন এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সহায়ক পরিষেবা চালু করা হবে। রাজ্য প্রশাসনের একাংশের মতে, আসানসোল অঞ্চলের শিল্প ঐতিহ্য এবং পরিবহণের সুবিধার উপর নির্ভর করে ধর্মার শিল্প পার্ক আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র হয়ে উঠবে।

Advertisement
আরও পড়ুন