আলি ইমরান রামজ়। ছবি: সংগৃহীত।
পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সংগঠনের নীতিবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে দলের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে আলি ইমরান রামজ় (ভিক্টর)-কে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করেছে। একই সঙ্গে তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদও স্থগিত করা হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, দলের সংবিধান, শৃঙ্খলা এবং সাংগঠনিক নীতির পরিপন্থী বলে অভিযোগ ওঠা একাধিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব অবগত হয়েছে। সেই অভিযোগগুলির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আলি ইমরান রামজ়কে সাধারণ সম্পাদকের পদ এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অবিলম্বে নিলম্বিত করা হচ্ছে।
দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশ অনুযায়ী, চিঠি প্রাপ্তির তিন দিনের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি দল থেকে বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপও বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ভিক্টর বলেছেন, ‘‘আমি সাসপেনশন কিংবা শো-কজ় কোন কিছুরই চিঠি পাইনি। আমাকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিও কিছু বলেননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চিঠি ঘুরছে বলে জেনেছি, যত ক্ষণ না সরাসরি কিছু জানানো হচ্ছে, কোনও প্রতিক্রিয়া দেব না।’’ তবে তাঁর ঘনিষ্ঠমহল জানাচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া চিঠিতে তাঁর স্ত্রীর করা অভিযোগের কথা লেখা হয়েছে। সেই অভিযোগ জমা পড়েছিল বিধানসভা নির্বাচনের আগে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই যদি ভিক্টরকে সাসপেন্ড করা হয়ে থাকে তা হলে বিধানসভা নির্বাচনে কেন তাকে কংগ্রেস টিকিট দিয়েছিল? ওই নির্বাচনে ভিক্টরকে চাকুলিয়া আসন থেকে প্রার্থী করেছিল কংগ্রেস। তার আগে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ আসন থেকেও কংগ্রেসের প্রতীকে প্রার্থী হয়েছিলেন ভিক্টর।