Calcutta university

দু’বছর স্নাতকোত্তরে আবেদন কম! প্রবেশিকা ছাড়াই ভর্তি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ বিভাগে

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, নতুন নিয়মে এ বছরই প্রথম দু’বছরের স্নাতকোত্তরের ভর্তি হবে। সে কারণে পড়ুয়াদের কিছুটা ছাড় দিতে ষষ্ঠ সেমেস্টারের বদলে পঞ্চম সেমেস্টারে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতেই ভর্তি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এমনকি ষষ্ঠ সেমেস্টারের পরীক্ষা দেওয়ার আগেই স্নাতকোত্তরে ভর্তির আবেদনের ব্যবস্থা করেছিলেন কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬ ২৩:২১
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত।

স্নাতকোত্তরে ভর্তির আবেদন কম, তাই অধিকাংশ বিভাগেই প্রবেশিকা পরীক্ষা হবে না। এমনই জানালেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে, বিজ্ঞানের কিছু বিভাগে প্রবেশিকার আয়োজন করবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

Advertisement

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ জারি হওয়ার পরে এই প্রথম স্নাতকের তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা হচ্ছে। নতুন পদ্ধতিতে এই প্রথম দু’বছরের স্নাতকোত্তরে ভর্তি নিচ্ছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। আগেই শিক্ষকদের একাংশ আশঙ্কা করেছিলেন, চার বছরের স্নাতক চালু হওয়ার পরে দু’বছরের স্নাতকোত্তরে আগ্রহ হারাবেন পড়ুয়ারা। যদিও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে দু’বছরের স্নাতকোত্তরে ভর্তি নেওয়ার কথা জানিয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, নতুন নিয়মে এ বছরই প্রথম দু’বছরের স্নাতকোত্তরের ভর্তি হবে। সে কারণে পড়ুয়াদের কিছুটা ছাড় দিতে ষষ্ঠ সেমেস্টারের বদলে পঞ্চম সেমেস্টারে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতেই ভর্তি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এমনকি ষষ্ঠ সেমেস্টারের পরীক্ষা দেওয়ার আগেই স্নাতকোত্তরে ভর্তির আবেদনের ব্যবস্থা করেছিলেন কর্তৃপক্ষ। কারণ, চার বছরের অনার্স বা অনার্স উইথ রিসার্চ কোর্সের বদলে দু’বছরের স্নাতকোত্তরে ভর্তি হওয়ার প্রবণতা কমবে, এমন আঁচ আগেই পাওয়া গিয়েছিল। বাণিজ্য ও কলা বিভাগে সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট বিভাগ পরীক্ষা নেবে না।

বৃহস্পতিবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসেন। আপাতত স্থির হয়েছে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক। আগে বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু বিভাগে এই মূল্যায়ন হতো। উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ জানান, এ বার সব বিভাগেই এই মূল্যায়ন হবে। সারা বছর যেন পড়ুয়ারা সেমেস্টার পদ্ধতি মেনে পঠনপাঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাই এই উদ্যোগ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন কুটার সাধারণ সম্পাদক সাগরময় ঘোষ বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়ারা উপকৃত হবেন বলেই আশা।

জানা গিয়েছে, অনুত্তীর্ণের হার কমাতে সম্পূর্ণ সেমেস্টার পড়ুয়াদের যুক্ত রাখতে এই উদ্যোগ। পাশাপশি পাঠ্যক্রম নিয়েও এ দিন আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। স্নাতক চতুর্থ বর্ষ এবং দু’বছর স্নাতকের প্রথম বর্ষের পাঠ্যক্রমে সামঞ্জস্য রাখা হচ্ছে বলে জানান উপাচার্য।

Advertisement
আরও পড়ুন