—প্রতীকী চিত্র।
অভিযোগ, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, মৃত কন্যাসন্তান প্রসব হয়েছে। পরিবারের দাবি, শ’চারেক টাকা নিয়ে গজ-ব্যান্ডেজ জড়িয়ে সেই ‘দেহ’ তুলে দেওয়া হয় তাদের হাতে। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনেরা। বাড়ি এনে সৎকারের প্রস্তুতি শুরু হয়। এরই মধ্যে কেটেছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। হঠাৎ দেখা যায়, হাত-পা নড়ছে খুদের! দেখা যায়, দিব্যি প্রাণ আছে দেহে।
বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের এই ঘটনায় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্বরূপনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শিশুর পরিবার। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট নার্সিংহোমের চিকিৎসক বিকাশ মণ্ডল বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘‘শিশুটি মৃত, এ কথা আমি পরিবারকে বলিনি। ওঁরা ভুল শুনেছিলেন। এর বেশি কিছু বলতে চাই না।’’
স্বরূপনগরের পূর্ব পোলতা গ্রামের বাসিন্দা রুবিনা পারভিন প্রসব-যন্ত্রণা নিয়ে বুধবার বসিরহাটের ওই নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন। ওই দিন বিকেলের দিকে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।
পরিবারের অভিযোগ, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ তাদের জানান, মৃত শিশু প্রসব হয়েছে। বাড়ি আনার পরে যখন জানা যায়, সে বেঁচে আছে, তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বসিরহাট হাসপাতালে। সেখানেই মা-শিশুকে রাখাহয়েছে, দু’জনেই সুস্থ বলেদাবি পরিবারের।
রুবিনার আত্মীয় মাজিদা বিবি বলেন, ‘‘এ সব নার্সিংহোমে পরিষেবা দেওয়ার থেকে ব্যবসা হয় বেশি। প্রশাসন যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়।’’