—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
চার বার ডাক পেয়েছিলেন এসআইআর-শুনানিতে। পরিবারের দাবি, তাতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন হুগলির ডানকুনির ঝালমুড়ি বিক্রেতা শেখ আনোয়ার (৬৭)। সোমবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যুর পরে আঙুল উঠল এসআইআর-প্রক্রিয়ার দিকে।
ডানকুনির ২০ নম্বর ওয়ার্ডের মথুরডিঙির শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন আনোয়ার। বিহারের বেতিয়ার এই বাসিন্দা প্রায় বছর ৪৫ আগে ডানকুনিতে চলে আসেন। স্ত্রী খুশিদা বেগম গৃহ-সহায়িকার কাজ করেন। মেয়ে আনোয়ারা শেখ বিবাহিতা।
২০০২ সালের ভোটার-তালিকায় আনোয়ারের নাম ছিল না। আনোয়ারা বলেন, ‘‘২০০৩-এ বিহারের ভোটার তালিকায় ঠাকুর্দার নাম রয়েছে। বাবা বিহারে গিয়ে সে নথি এনে এসআইআর-এর ফর্ম জমা দেন। তার পরেও চার বার শুনানিতে ডাকা হয়। বাবা আতঙ্কে ছিলেন।’’ তাঁর দাবি, প্রশাসনের চাহিদা মতো ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় নাম থাকা স্থানীয় পাঁচ জনের সই এবং নথি নিয়ে দিন কয়েক আগে নির্দিষ্ট ফর্ম জমা দেন আনোয়ার। খুশিদার আক্ষেপ, ‘‘স্বামী দুশ্চিন্তাতেই শেষ হয়ে গেল!’’
জেলা প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ডানকুনির পুরপ্রধান তৃণমূলের হাসিনা শবনম বলেন, ‘‘চার বার শুনানিতে ডাকায় উনি আতঙ্কে ছিলেন।’’ ডানকুনির বিজেপি নেতা সুকান্ত মাঝির প্রতিক্রিয়া, ‘‘তৃণমূল সব মৃত্যুকেই এসআইআর-আতঙ্ক বলে রাজনীতি করছে।’’