ট্র্যাক্টর উল্টে দুর্ঘটনা রায়নায়, মৃত্যু হয় একজনের। —নিজস্ব ছবি।
একই দিনে পূর্ব বর্ধমানের পৃথক দু’টি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দু’জনের। রায়নায় মাঠে আলু তুলতে যাবার পথে ট্র্যাক্টর উল্টে মৃত্যু হয়েছে এক কৃষিশ্রমিকের। ওই দুর্ঘটনায় আহত হন ১২ জন কৃষিশ্রমিক। মৃত এবং আহত সকলেই সুন্দরবনের বাসিন্দা। অন্য দিকে, ভাতারে গাড়ির ধাক্কায় মারা গিয়েছেন এক ফেরিওয়ালা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদ এবং সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা থেকে মোট ২১ জন শ্রমিকের একটি দলে রায়নায় আলু তোলার কাজে গিয়েছিলেন। রবিবার সকালে হিজলনা থেকে জাকতা যাওয়ার পথে শ্মশানের কাছে তাঁদের ট্র্যাক্টর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ট্র্যাক্টরে থাকা সকলেই কমবেশি আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে মনোরঞ্জন মণ্ডল নামে ৬০ বছরের কৃষককে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্র্যাক্টরের গতি বেশি থাকার কারণে ওই দুর্ঘটনা হয়েছে। আহত বিশ্বজিৎ হালদারও সেই কথা বলছেন। তিনি জানান, অন্যন্য বছরে মতো এ বারেও তাঁরা সুন্দরবন থেকে আলু তোলার কাজ করতে শনিবার বর্ধমানে গিয়েছেন। মাঠে যাবার পথে চালক বিপজ্জনক ভাবে ট্র্যাক্টর চালাচ্ছিলেন। তাঁদের নিষেধ শোনেননি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা হয়।
অন্য দিকে, রবিবার ভোরে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয় এক সাইকেল আরোহীর। মৃতের নাম নরুল ইসলাম খাঁ-র (৬৫)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার শিকারপুর গ্রামে। দুর্ঘটনাটি হয় পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম থানার বর্ধমান বোলপুর ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বড়াচৌমাথা সংলগ্ন করুঞ্জি মোড় এলাকায়। গাড়ির চাকায় দলা পাকিয়ে যায় গোটা শরীর। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে অকুস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গুসকরা ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মৃত নুরুল সাবানের ফেরি করতেন।