কাটোয়া স্টেশনে আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে আগুন। —নিজস্ব ছবি
স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা এক যাত্রিবাহী ট্রেনে অগ্নিকাণ্ড। রবিবার ভোরে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনের একটি কামরা থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখেন যাত্রীরা। পরে আগুনের শিখাও দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় গোটা কামরায়।
জানা গিয়েছে, রবিবার ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। কাটোয়া স্টেশনের দু’নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল ৫৩৪৩৫ আপ আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার। সকাল ৬টা নাগাদ কাটোয়া স্টেশন থেকে ছাড়ার কথা ছিল ট্রেনটির। ওই ট্রেনের একটি কামরায় আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় জিআরপি ও আরপিএফ। খবর দেওয়া হয় দমকলকেও।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। বেশ কিছু ক্ষণের চেষ্টায় ওই ট্রেনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই কামরাটি সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছে। তবে আগুন অন্য কামরায় ছড়াতে পারেনি। ফলে বড়সড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কামরাটিকে ঘিরে রাখা হয়েছে। ঘটনার জেরে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয় ওই লাইনে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রেল পরিষেবা পুনরায় চালু করা হয়।
কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাওড়া রেলওয়ে ডিভিশনের ডিআরএমের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলে যাবে বলে রেল সূত্রে খবর। এই প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাজি বলেন, ‘‘ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল। সুতরাং কী ভাবে তাতে আগুন লাগল তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আমরা খতিয়ে দেখছি।’’ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। তবে ভোরের এমন ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।