Swapan Debnath

‘ভাতের মর্ম বোঝেন?’ মা ক্যান্টিনে খাবারের মান নিয়ে অসন্তুষ্ট মন্ত্রী স্বপন, নড়েচড়ে বসল স্বনির্ভর গোষ্ঠী

প্রত্যেক দিন ৩০০-র বেশি মানুষ কাটোয়া হাসপাতালে মা ক্যান্টিনে আহার করেন। গত শনিবার খাবারের লাইনে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রী নিজে। খাবার চেখে দেখে স্বপনের প্রথম প্রশ্ন, ‘‘ডাল এত পাতলা কেন?’’

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৮
Swapan Debnath

মা ক্যান্টিনে লাইন দিয়ে খাবার নেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। —নিজস্ব ছবি।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমা হাসপাতালেও চালু হয় মা ক্যান্টিন। পাঁচ টাকায় মেলে ভোজ। কিন্তু সেই ক্যান্টিনের খাবারের মান এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে যারপরনাই ক্ষুব্ধ রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ স্বয়ং। আচমকা মহকুমা হাসপাতালের মা ক্যান্টিনে পরিদর্শনে গিয়ে বেশ কিছু নির্দেশ দিয়ে গেলেন তিনি।

Advertisement

প্রত্যেক দিন ৩০০-র বেশি মানুষ কাটোয়া হাসপাতালে মা ক্যান্টিনে আহার করেন। গত শনিবার খাবারের লাইনে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রী নিজে। খাবার চেখে দেখে স্বপনের প্রথম প্রশ্ন, ‘‘ডাল এত পাতলা কেন?’’ তার পর জিজ্ঞাসা করেন পোস্তর তরকারিতে পোস্ত এত কম কেন? ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কাছে ব্যাখ্যা চান তিনি। তার পর খাবার খেয়ে পাতা ফেলতে গিয়ে আবার বিরক্ত মন্ত্রী। তিনি দেখেন, ডাস্টবিনে পড়ে প্রচুর ভাত পড়ে আছে। এর পর এই দৃশ্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি।

স্বপন জানিয়ে দিয়েছেন, অন্ন নষ্ট একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না। খাবারের মানও ভাল করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে এমন প্রকল্প নিয়ে যেন সমালোচনা শুনতে না হয়। তিনি পরামর্শ দেন, অতিরিক্ত ভাত একসঙ্গে না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী ভাত দেওয়া হোক। প্রয়োজন হলে মানুষ আবার ভাত চাইবেন। তখন দিতে হবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাকর্মীদের স্বপন বলেন, ‘‘এক মুঠো ভাতের মর্ম বোঝেন তো? না কি বোঝেন না? আমি খুদ ভাত খেয়ে বড় হয়েছি। আমি এর মর্ম বুঝি।’’

মন্ত্রী আরও জানান, ভবিষ্যতে খাবার পরিবেশনের জন্য যে ছাউনি তৈরি করা হচ্ছে, সেখান থেকেই খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ক্যান্টিন পরিচালনাকারী কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামিদিনে খাবারের মান আরও উন্নত করা হবে। যাতে খাবার নষ্ট না-হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন