SIR in West Bengal

এসআইআর নিয়ে হাই কোর্টে আবার বৈঠকে প্রধান বিচারপতি! আলোচনা হতে পারে বিবেচনাধীন ভোটার তালিকা নিয়ে

সূত্রের খবর, ভিন্‌রাজ্য থেকে যে বিচারকদের আনা হচ্ছে, তাঁদের থাকা-খাওয়ার কী ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাঁদের কী ভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বৈঠকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ ১৮:৫০
কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।

কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। — ফাইল চিত্র।

রাজ্যে বিবেচনাধীন (অ্যাডজুডিকেশন) ভোটারদের তালিকা নিয়ে বৃহস্পতিবার আবার হাই কোর্টে বৈঠকে বসছেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। বৈঠকে রয়েছেন রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের সিইও (মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক) মনোজ আগরওয়াল। সূত্রের খবর, ভিন্‌রাজ্য থেকে যে বিচারকদের আনা হচ্ছে, তাঁদের থাকা-খাওয়ার কী ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাঁদের কী ভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে, তা নিয়ে চলতে পারে আলোচনা। বিবেচনাধীন ভোটার তালিকার কত দূর নিষ্পত্তি হল, সেই বিষয়টিও উঠতে পারে বৈঠকে।

Advertisement

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের নাম বিবেচনাধীন। এসআইআরের মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে ৬৩ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁদের কেউ মৃত, কেউ স্থানান্তরিত, কেউ গরহাজির, কারও অন্য জায়গায় নাম রয়েছে। ওই বিবেচনাধীন ভোটারদের নথি খতিয়ে দেখছেন এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকেরা। সেই নিয়ে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি পাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবার বৈঠকে বসলেন। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত মাত্র ৪ লক্ষ বিচারাধীন নামের নিষ্পত্তি সম্ভব হয়েছে। বাকি ৫৬ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটার নিষ্পত্তি হতে ঠিক কত দিন লাগতে পারে, তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভিন্‌রাজ্য থেকে বিচারক এনে বিবেচনাধীন ভোটারদের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। কমিশন অবশ্য আশাবাদী। কারণ, নিষ্পত্তির কাজের জন্য বিচারকের সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে। বিহার, ঝাড়খণ্ডের মতো প্রতিবেশী রাজ্য থেকে প্রায় ২০০ জন বিচারক আনা হচ্ছে। তাঁরা কাজে যোগ দিলে বাছাই এবং নিষ্পত্তির গতি বেড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ওই বিচারকদের জন্য কী ব্যবস্থা করা হচ্ছে, তা নিয়ে বৈঠকে বসলেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি।

Advertisement
আরও পড়ুন