Chandranath Rath Murder Case

শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের উপর গুলি চালানো চতুর্থ ব্যক্তিকে ধরল সিবিআই! ভিন্‌রাজ্য থেকে ধৃত রাজকুমারকে আনা হচ্ছে বারাসতে

চন্দ্রনাথ রথ খুনে ধৃত চার জনেই ভিন্‌রাজ্যের বাসিন্দা। এর আগে রাজ্য পুলিশ বিহারের বক্সার থেকে পাকড়াও করে বিশাল শ্রীবাস্তবকে। ভিন্‌রাজ্যের রাজ সিংহ এবং ময়ঙ্ক মিশ্রও পুলিশের জালে ধরা পড়েন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ১৫:২৫
CBI arrests a person from Uttar Pradesh in the connection of Suvendu Adhikari’s PA shoot out case

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় চতুর্থ গ্রেফতারি। উত্তরপ্রদেশের ছাপ্পর থেকে আটক রাজকুমার সিংহকে গ্রেফতার করল সিবিআই। বস্তুত, চন্দ্রনাথের হত্যার তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর এটাই সিবিআইয়ের প্রথম গ্রেফতারি।

Advertisement

চন্দ্রনাথ খুনে ধৃত চার জনেই ভিন্‌রাজ্যের বাসিন্দা। এর আগে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) বিহারের বক্সার থেকে পাকড়াও করে বিশাল শ্রীবাস্তবকে। ভিন্‌রাজ্যের রাজ সিংহ এবং ময়ঙ্ক মিশ্র পুলিশের জালে ধরা পড়েন। তার পর এই মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই।

সোমবার উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার বাসিন্দা রাজকুমারকে ছপ্পারে দিল্লি হাইওয়ের একটি টোল প্লাজ়ার কাছে আটক করা হয়। মঙ্গলবার সিবিআই জানিয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে রাজকুমারকেও। ধৃত ‘শুটার’দের মধ্যে তিনিও একজন বলে মনে করা হচ্ছে। খুনের রাতে রাজকুমারও গুলি চালিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

রাজ্য সিআইডি-র হাতে পাকড়াও বিহার এবং উত্তরপ্রদেশের তিন ভাড়াটে খুনিকে জেরা করেই রাজকুমারের হদিস মেলে। বালিয়া থেকে সিআইডি-র হাতে ধৃত রাজ সিংহের সঙ্গে রাজকুমারের যোগসাজসের সূত্র মেলে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে রাজকুমারকে ধরতে ফরিদাবাদ এবং দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল।

মুজফ্‌‌ফরনগরের পুলিশ সুপার সঞ্জয় বর্মা বলেন, ‘‘ফরিদাবাদ থেকে পালিয়ে হরিদ্বারের দিকে যাচ্ছিলেন অভিযুক্ত। সোমবার সকালে সিবিআইয়ের ডিএসপি রাজেশ কুমারের নেতৃত্বে একটি দল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সিবিআইয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছাপ্পর টোল প্লাজ়া থেকে যৌথ অভিযানে আটক করা হয় অভিযুক্তকে।’’

রাজকুমারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর সিবিআই গ্রেফতার করে ট্রানজ়িট রিমান্ডে বারাসত আদালতে হাজির করছে। সিবিআই সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া ঝাড়খণ্ডের একটি জায়গা থেকে প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয় এই খুনের। রাজকুমারকে জেরা করলেই খুনের নেপথ্যে মূল চক্রী সম্পর্কে জানা যাবে বলে আশাবাদী গোয়েন্দারা।

Advertisement
আরও পড়ুন