Ration Card

সন্দিগ্ধ রেশন কার্ড নিয়ে কড়া পদক্ষেপে কেন্দ্রীয় সরকারের, তদন্তে নামার নির্দেশ রাজ্যগুলিকে

গোটা দেশে প্রায় ৬ কোটি রেশন কার্ডকে সংশয়জনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলির বৈধতা যাচাই করতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেআইনি ভাবে কারও কাছে রেশন কার্ড থাকলে তা বাতিল করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ১৫:২৫
Centre takes strict action regarding suspicious ration cards, directs states to launch investigations

—প্রতীকী ছবি।

দেশ জুড়ে সন্দিগ্ধ এবং তথ্যে অসঙ্গতি থাকা রেশন কার্ড চিহ্নিতকরণে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রক। কেন্দ্রের নির্দেশে বিভিন্ন রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হয়েছে তদন্ত। কেন্দ্রের দাবি, গোটা দেশে প্রায় ৬ কোটি রেশন কার্ডকে সংশয়জনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলির বৈধতা যাচাই করতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেআইনি ভাবে কারও কাছে রেশন কার্ড থাকলে তা বাতিল করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

Advertisement

রাজ্যের খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে রেশন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ৬ কোটি ২ লক্ষ উপভোক্তা রয়েছেন। দফতরের দাবি, যে সব রাজ্যে সন্দেহজনক কার্ডের সংখ্যা বেশি, তাদের অনেক ক্ষেত্রেই মোট উপভোক্তার সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় কম। তা সত্ত্বেও সেখানে অনিয়মের পরিমাণ বেশি ধরা পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রেশন বণ্টন প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। ‘ই-কেওয়াইসি’ বাধ্যতামূলক হওয়ায় প্রতিটি গ্রাহকের পরিচয় যাচাই করা হয় আধার ভিত্তিক প্রমাণের মাধ্যমে। ফলে ভুয়ো বা ডুপ্লিকেট কার্ড থাকার সম্ভাবনা অনেকটাই কমেছে বলে দাবি প্রশাসনের। ইতিমধ্যে চিহ্নিত সন্দেহজনক কার্ডগুলির উপর তদন্ত শুরু হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার রেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। অন্য দিকে, যাচাই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১ লক্ষ ৮৭ হাজার কার্ড বৈধ বলে প্রমাণিত হয়েছে। মোট কাজের প্রায় ৩২ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে খাদ্য দফতর। নির্বাচন পর্ব শেষ হলেই বাকি কাজ দ্রুত সম্পূর্ণ করার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রেখে প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে রেশন পৌঁছে দেওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য। এই তদন্ত প্রক্রিয়া সেই লক্ষ্যকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

Advertisement
আরও পড়ুন