—প্রতীকী চিত্র।
তৃণমূল হারতেই পদত্যাগ করলেন কলকাতা হাই কোর্টে বিদায়ী রাজ্য সরকারের আইনজীবীরা। আদালত সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকালেই বিদায়ী সরকারের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। সরকারি প্যানেলের আইনজীবীরাও সরে গিয়েছেন। নতুন সরকারের আইনজীবীদের দল গঠনের কাজও শুরু হয়েছে বলে খবর। বিজেপির লিগ্যাল সেলের কোঅর্ডিনেটর অশোক সিনহার নির্দেশে লিগ্যাল সেলের আহ্বায়ক সুস্মিতা সাহাদত্ত এবং ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী ও রাজদীপ মজুমদার বিভিন্ন বিচারপতির এজলাসে গিয়ে বিষয়টি জানিয়ে নতুন প্যানেল গঠনের জন্য তিন সপ্তাহ সময় চাইতে বলেছেন।
এ দিন প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে গিয়ে নয়া প্যানেল গঠনের জন্য তিন সপ্তাহ প্রয়োজন বলে জানান সুস্মিতা। অন্যান্য কোর্টেও তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন। আদালতের খবর, তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে, এই কথা শুনে কয়েকজন বিচারপতি তেমন সন্তুষ্ট হননি।
এই পরিস্থিতিতে হাই কোর্টে সরকার যুক্ত আছে এমন মামলার শুনানি কী ভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আইনজীবীদের একাংশ বলছেন, রাজ্য সরকারের গভর্নমেন্ট প্লিডারের (জিপি) অফিস মামলার চিঠি গ্রহণ করছে না। কোর্টের খবর, এজি-র পাশাপাশি জিপি, পাবলিক প্রসিকিউটর-সহ বিভিন্ন শীর্ষ সরকারি কৌঁসুলি পদেও বদল হতে চলেছে। নতুন সরকারের এজি কে হবেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। একাধিক প্রবীণ আইনজীবীর নাম সেখানে উঠে এসেছে, যার মধ্যে একাধিক প্রাক্তন এজি-র নামও চর্চায় এসেছে। তবে সে ক্ষেত্রে তাঁদের বয়স এবং শারীরিক সক্ষমতার বিষয়টিও আলোচনায় থাকছে। কেউ কেউ বলছেন, প্রবীণ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীকে এজি করা হলে, তাঁকে সাহায্য করার জন্য তুলনায় কম বয়স্ক এবং অভিজ্ঞ আইনজীবীকে অতিরিক্ত এজি পদে নিয়োগ করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রেও অতীতে কেন্দ্রীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কৌঁসুলি পদে ছিলেন, এমন একাধিক আইনজীবীকে নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে।