Central Government

উড়ান, ছোট শিল্পের জন্য ঋণের প্রকল্পে সায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

দেশে তুলো চাষ বাড়াতে ৫৬৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে সরকার। পাঁচ বছরের জন্য এই ক্ষেত্রে উৎপাদন, বিক্রি, বিপণন ও রফতানি বাড়াতে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে চিনিকলগুলি আখচাষিদের যে টাকা দেয়, তার ন্যূনতম দামও বাড়িয়েছে কেন্দ্র।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ০৮:৩৯

— প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ধাক্কা খাওয়া ছোট-মাঝারি এবং বিমান পরিবহণ শিল্পকে সুরাহা দিতে পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। মঙ্গলবার এ জন্য তাদের কার্যকরী মূলধনের চাহিদা মেটাতে ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্পে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই এমার্জেন্সি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিমের অধীনে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৮,১০০ কোটি টাকা। দৈনন্দিন কাজ ও জোগানশৃঙ্খল বজায় রাখা এবং এর হাত ধরে ছোট শিল্প, বিমান পরিবহণ ও যুদ্ধে প্রভাবিত অন্যান্য ক্ষেত্রগুলিতে যাতে মানুষের কাজ না যায়, সেটাই নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি সরকারের। এই প্রকল্পে শর্তসাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলির ঋণে গ্যারান্টর হিসেবে কাজ করবে কেন্দ্র। সব মিলিয়ে এর হাত ধরে অতিরিক্ত ২.২৫ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের দরজা খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রকল্পটিকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তাঁর দাবি, ব্যবসার সুরক্ষা, বৃদ্ধির গতি বজায় রাখা এবং মানুষের আয় নিশ্চিত করা।

এ ছাড়াও দেশে তুলো চাষ বাড়াতে ৫৬৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে সরকার। পাঁচ বছরের জন্য এই ক্ষেত্রে উৎপাদন, বিক্রি, বিপণন ও রফতানি বাড়াতে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে চিনিকলগুলি আখচাষিদের যে টাকা দেয়, তার ন্যূনতম দামও বাড়িয়েছে কেন্দ্র। ২০২৬-২৭ সালের জন্য তা কুইন্টালে ১০ টাকা বেড়ে হচ্ছে ৩৬৫ টাকা। অনেকের মতে, পরের বছর উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। ওই অঞ্চলে দেশের সবচেয়ে বেশি আখ চাষ হয়। তাই সেই কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই তৈরি হচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

পাশাপাশি, আরও দু’টি চিপ কারখানা গড়ায় সায়ও দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ইন্ডিয়া সেমিকনডাক্টর মিশনের অধীনে প্রকল্প দু’টিতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩৯৩৬ কোটি। গুজরাতের এই প্রকল্পে ২২৩০ জনের কর্মসংস্থান হবে বলেও কেন্দ্রের আশা। ক্রিস্টাল মেট্রিক্স এবং সূচি সেমিকন এগুলি গড়ে তুলবে। অনুমোদন মিলেছে সে রাজ্যের ভাদিনারে জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলাতেও। বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৫৭০ কোটি টাকা। দীনদয়াল বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং কোচি শিপইয়ার্ড মিলে সেটি তৈরি করবে।

আরও পড়ুন